স্পিকারের সঙ্গে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের পাঁচ সিনেটরের সাক্ষাৎ

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০৫:০০, অক্টোবর ২১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৫:২৪, অক্টোবর ২১, ২০১৯

স্পিকারের সঙ্গে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের পাঁচ সিনেটরের সাক্ষাৎ

জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য সিনেটের পাঁচজন সদস্যের প্রতিনিধি দল। রবিবার (২০ অক্টোবর) সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা করেন তারা। এসময় তারা শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিনিময়, বাংলাদেশের উন্নয়ন, বাণিজ্যের প্রসার, নারী ক্ষমতায়ন, তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের রয়েছে হাজার বছরের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছেন।’ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য বিভিন্ন স্কলারশিপ ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির অনুরোধ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেদেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছেন।’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হবে।’ বাংলাদেশে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল নির্মাণ, কর্ণফুলী ট্যানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ, ১০০ ইকোনমিক জোন স্থাপন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ২১ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীতকরণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্যও তুলে ধরেন তিনি। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

স্পিকার বলেন, ‘বাংলাদেশ নারীর ক্ষমতায়নে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বর্তমান সরকার নারীদের ক্ষমতায়নে যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের ভাতা দেওয়া হচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীরা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে দারিদ্র্যের হার ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। তৃণমূলের নারীদের উন্নয়নও আজ দৃশ্যমান।’

বাংলাদেশিরা নিউইয়র্ক সিটিতে বড় অবদান রেখে চলেছেন উল্লেখ করে সিনেটর লুইস সেপুলভেদা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশ সম্প্রদায়ের হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। এ কার্যক্রম আরও কার্যকর ও গঠনমূলক পদ্ধতিতে অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে তারা এ সফরে এসেছেন। এসময় প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের সঙ্গে শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিনিময় ও বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য তৈরি পোশাক ও খাদ্যপণ্য আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করে।

প্রতিনিধিদলে থাকা অন্য চার সিনেটর হলেন জন ল্যু, জেমস স্কুফিস, লিরয় কমরি ও কেভিন এ পার্কার।

/এমএ/

লাইভ

টপ