‘প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করতে ফাইল চালাচালি হচ্ছে’

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৫:০৫, নভেম্বর ১৭, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:১৫, নভেম্বর ১৭, ২০১৯

 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন

প্রাথমিকের পাবলিক পরীক্ষা তুলে দেওয়ার প্রশ্নে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করতে দ্রুত কাজ করা হচ্ছে, ফাইল চালাচালি হচ্ছে।’

রবিবার (১৭ নভেম্বর) শুরু হওয়া প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে দুপুরে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে ফাইল চালাচালি হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করতে আরও  কীভাবে দ্রুত করা যায়, তা নিয়ে কাজ হচ্ছে। বিভিন্ন সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অষ্টম শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় রুম নির্মাণ চলছে। প্রধানমন্ত্রী এর সঙ্গে আছেন।’

তবে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষা তুলে দিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আগে স্কলারশিপ পরীক্ষা ছিল, এখন আর দিতে হচ্ছে না। যারা পরীক্ষায় ভালো করে তারা স্কলারশিপ পায়।’

সুষ্ঠ পরীক্ষা অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরীক্ষা সুন্দরভাবে শেষ করতে মনিটরিং সেলের সঙ্গে জেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোনোভাবে যেন প্রশ্নফাঁস না হয় সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নজরদারি করছে।’

প্রশ্নফাঁস ও গুজব বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরীক্ষার আগে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানো কয়েকটি লিংক শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। মিরপুর থানায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম- আল-হোসেন বলেন, ‘পরীক্ষা কমাতে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা তুলে দিয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন করে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা হবে। এর মাধ্যমে ছোট ছেলেমেয়েদের পরীক্ষা কমে যাবে। এ কার্যক্রম ২০২০ সাল থেকে চালু করার চিন্তাভাবনা রয়েছে। প্রথমে ১০০টি বিদ্যালয়ে তা পাইলটিং করা হবে। এতে সফলতা আসলে ২০২১ সাল থেকে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তা চালু করা হবে।’

পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির বলেন, ‘পঞ্চম শ্রেণির খাতা মূল্যায়ন নিয়ে প্রতিবছর নানা ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়। এ কারণে এ বছর এক উপজেলার খাতা অন্য উপজেলার শিক্ষকদের দিয়ে মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

মহাপচিালক আর বলেন, ‘প্রতিবছর ৩০ লাখের মতো শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। এজন্য একটি আলাদা বোর্ড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে এ সংক্রান্ত আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। সমাপনী পরীক্ষা আয়োজনে একটি বোর্ড তৈরি করাটা অতি গুরুত্বপূর্ণ।’

 

/এসএমএ/এপিএইচ/

লাইভ

টপ