ভারতে শোনা যাচ্ছে বেতার

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:১৬, জানুয়ারি ১৪, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:১৯, জানুয়ারি ১৪, ২০২০

বাংলাদেশ বেতার ও ভারতের আকাশবাণীর মধ্যে অনুষ্ঠান বিনিময় কার্যক্রম উদ্বোধনবাংলাদেশ বেতার ও ভারতের আকাশবাণী বেতারের মধ্যে অনুষ্ঠান বিনিময় কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং ভারতের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী প্রকাশ জাভাদকার। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে নয়াদিল্লিতে দুই দেশের মন্ত্রীরা এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এর ফলে ভারতের সব জায়গায় শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশ বেতার।
ভারতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠান সম্প্রচার শুরুর সাড়ে তিন মাসের মাথায় বেতারের অনুষ্ঠান শোনা যাচ্ছে। দুই মন্ত্রীর উদ্বোধনের ফলে এখন থেকে বাংলাদেশ বেতারের অনুষ্ঠান আকাশবাণী চ্যানেলে কলকাতায় এফএম ১০০.১ মেগাহার্টজ, আগরতলায় এফএম ১০১.৬ মেগাহার্টজ এবং আকাশবাণী অ্যাপ ও ডিটিএইচের মাধ্যমে সারা ভারতে দেশটির স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে সাড়ে ৭টায় একযোগে সম্প্রচার শুরু হয়।
একই সময় আকাশবাণীর অনুষ্ঠান বাংলাদেশ বেতারের এফএম ১০৪ মেগাহার্টজে সম্প্রচার শুরু হলো। ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল প্রসার ভারতী ও বাংলাদেশ বেতারের মধ্যে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে এ কার্যক্রমে দুই দেশের গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন হলো।

বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণে চুক্তি
বেতারের বিনিময় কার্যক্রম উদ্বোধনের পর দুই দেশের তথ্যমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণে উভয় দেশের চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত নুজহাত ইয়াসমিন এবং ভারতের এনএফডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিসিএ কল্যাণী বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণে যৌথ চলচ্চিত্র প্রযোজনা চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
এ সময় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ২০২০ সালে। এ বছরই বেতার ও চলচ্চিত্র খাতে এই সহযোগিতা দুই দেশের জনগণ ও সরকারের বন্ধুত্বের এক অনন্য মাইলফলক। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে পারস্পরিক সহযোগিতার অঙ্গীকার করেছেন- এই বিনিময় এবং চুক্তি তারই প্রতিফলন। ভারতের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী প্রকাশ জাভাদকার বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ভৌগোলিক নৈকট্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্যগত। গণমাধ্যম ক্ষেত্রের এই সহযোগিতা দুই দেশের অন্যান্য খাতে সহযোগিতাকেও প্রসারিত করবে।
ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনারের দায়িত্বে নিয়োজিত ডেপুটি হাইকমিশনার এটিএম রকিবুল হক, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক নারায়ণ চন্দ্র শীল, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জাহানারা পারভীন, নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত প্রেস মিনিস্টার ফরিদ হোসেন, উপসচিব মো. সাইফুল ইসলামসহ তথ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধতন কর্মকর্তা এবং ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব রাভি মিত্তাল,প্রসার ভারতীর প্রধান নির্বাহী শশী শেখর ভেম্পতি, অতিরিক্ত সচিব অতুল কুমার তিওয়ারিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিকালে তথ্যমন্ত্রী ভারতের পররাষ্ট্র বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে খ্যাত স্বামী বিবেকানন্দ ফাউন্ডেশনে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে মতবিনিময় করেন। বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদে রামুজি ফিল্ম সিটি পরিদর্শন শেষে ১৭ জানুয়ারি তথ্যমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

 

/এমএইচবি/ওআর/

লাইভ

টপ