অস্ট্রেলিয়ায় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২৩:০৩, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:১৩, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০

 

বাংলাদেশ হাইকমিশন ক্যানবেরার উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। এসময় বৈদেশিক কূটনীতিকসহ অস্ট্রেলিয়া ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এই আয়োজন করা হয়।

অস্ট্রেলিয়াতে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই খবর জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্যানবেরাস্থ তেলোপিয়া পার্কে মানুকা সার্কিট ও নিউসাউথ ওয়েলস স্ট্রিটের ক্রস রোডে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। ভোর ৬টা ২০ মিনিটে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে প্রভাতফেরির আয়োজন করা হয়।

এতে অংশগ্রহণ করেন এসিটি (অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটরি) গভর্নমেন্টের জাস্টিস মিনিস্টার সেইন রেটেনবারি, বিরোধী দলের নেতা এলিস্টর কো। ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, পেরুর রাষ্ট্রদূত। অস্ট্রেলিয়ান ইনডোজেনিয়াস অ্যাজেন্সির প্রতিনিধি, মাল্টিকালচারাল অথরিটির প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকবৃন্দ। আরও উপস্থিত ছিলেন, অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন ট্রেডের প্রতিনিধি এবং অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী ও অভিবাসীগণ এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

অংশগ্রহণকারীরা ক্যানবেরাস্থ অ্যাভিনিউর মানুকা অ্যাভাল প্রদক্ষিণ শেষে অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এসময় তারা ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার, ভারতের হাইকমিশনার, এসিটি জাস্টিস মিনিস্টার এবং বিরোধী দলের নেতা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। বক্তাগণ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন।

হাইকমিশনার সুফিউর রহমান তার বক্তব্যে সকল ভাষা শহীদ ও ভাষা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা ব্যক্ত করেন। তিনি ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ভাষাকে যথাযথ মর্যাদা প্রদান ও বিলুপ্ত ভাষা রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সকলকে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানান।

এ উপলক্ষে ক্যানবেরাস্থ তেলোপিয়া পার্ক স্কুলসহ অন্যান্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের শহীদ দিবসের ব্যাপারে সামগ্রীকভাবে ধারণা দেওয়া হয়। এছাড়া নৃ-তাত্ত্বিক ভাষাসহ সকল মাতৃভাষার প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য অস্থায়ী শহীদ মিনার তিনদিন খোলা রাখা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

/এসএসজেড/এনএস/

সম্পর্কিত

লাইভ

টপ