খুলনা বিভাগে করোনায় সুস্থতার হার ৩৭ শতাংশ

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:৩৫, মে ২৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:২৫, মে ২৭, ২০২০

করোনা পরীক্ষা

করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে খুলনা বিভাগে সুস্থতার হার ৩৬ দশমিক ৮১ শতাংশ। বুধবার (২৭ মে) পর্যন্ত এ বিভাগে মোট আক্রান্ত ৪৪০ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৬২ জন। জাতীয় পর্যায়ে সুস্থতার হার ২০ দশমিক ৭০ শতাংশ। সারাদেশে করোনায় আক্রান্ত মোট ৩৮ হাজার ২৯২ জনের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন সাত হাজার ৯২৫ জন।

বুধবার (২৭ মে) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে প্রকাশিতপ্রতিবেদন এবং আইইডিসিআরের সংবাদ বুলেটিন পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

জাতীয় পর্যায়ের তুলনায় খুলনা বিভাগে সুস্থতার হার যেমন বেশি, তেমনই মৃত্যুর হারও বেশি। বুধবার পর্যন্ত জাতীয় পর্যায়ে মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪২ শতাংশ। খুলনা বিভাগে এ হার এক দশমিক ৮১ শতাংশ। এ বিভাগে মোট আক্রান্ত ৪৪০ জনের মধ্যে মারা গেছেন ৮ জন।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের ১১ দিনের মাথায় খুলনা বিভাগে প্রথম করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। এ বিভাগের চুয়াডাঙ্গা জেলায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। বর্তমানে বিভাগের ১০টি জেলার সবগুলোতেই করোনা পজিটিভ রোগী রয়েছে। এ বিভাগে সবচেয়ে বেশি করোনা পজিটিভ রয়েছে যশোর জেলায়। বুধবার নতুন করে আক্রান্ত তিন জনসহ এ জেলায় বর্তমানে মোট আক্রান্ত ১০০ জন। খুলনা বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে কম আক্রান্ত মেহেরপুর জেলায়। এ জেলায় করোনা পজিটিভের সংখ্যা ১১ জন। এদের মধ্যে একজন মারা গেছেন, সুস্থ হয়েছেন ৫ জন। আর বাড়িতেই চিকিৎসাধীন ৫ জন। হাসপাতালে কোনও রোগী নেই। অন্যদিকে, খুলনা বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে সবার পরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া সাতক্ষীরা জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। বুধবার নতুন করে দুই জনসহ সাতক্ষীরায় বর্তমানে মোট আক্রান্ত ৩৬ জন। কেউ মারা যাননি। এদের মধ্যে সুস্থও হয়েছেন একজন। এদিকে যশোর জেলায় আক্রান্ত বেশি হলেও এ জেলায় এখনও করোনায় কেউ মারা যাননি। আবার যশোরে সুস্থও হয়েছেন বেশি। বুধবার পর্যন্ত এ জেলায় মোট ৫৫ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন। করোনা পজিটিভের দিক দিয়ে যশোরের পড়ে রয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলা। এ জেলায় আক্রান্ত ৮৫ জন এবং এরপর খুলনা জেলায় আক্রান্ত ৫৯ জন।

বুধবার খুলনা বিভাগে নতুন করে আট জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে খুলনা জেলায় তিন জন, সাতক্ষীরায় দুই জন এবং যশোরে তিন জন। এ বিভাগে একইসঙ্গে ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ১০ জন।

 

/ইএইচএস/এপিএইচ/

লাইভ

টপ