বিনা ভাড়ায় হাঁড়িভাঙা আম ঢাকায় আনছে ডাক অধিদফতর

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:৩০, জুলাই ০১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:০৪, জুলাই ০১, ২০২০

হাড়িভাঙ্গা আমরংপুরের মিঠাপুকুরের প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদিত ঐতিহ্যবাহী হাঁড়িভাঙা আম বিনা ভাড়ায় রাজধানীর পাইকারি বাজারে পরিবহন শুরু করেছে ডাক অধিদফতর। একইসঙ্গে বিআরটিসি সামান্য ভাড়ার বিনিময়ে মিঠাপুকুরের আম পরিবহন কার্যক্রম চালু করেছে।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে ঢাকায় নিজ দফতর থেকে জুম ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রংপুরের মিঠাপুকুর থেকে বিনা মাশুলে রাজধানীতে মৌসুমি ফল পরিবহন সেবা উদ্বোধন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের নির্দেশে বিনা মাশুলে এই সেবাটি চালু করা হয়। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এসব মৌসুমি ফল রাজধানীর বিভিন্ন সুপার শপ ও পাইকারি বাজারে বিপণন করা হবে। বিক্রয় করে পাওয়া টাকা কোনও মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কৃষকের হাতে পৌঁছে যাবে। দেশব্যাপী ডাক পরিবহনে নিয়োজিত ঢাকা ফেরত গাড়িগুলোতে বিনা মাশুলে প্রান্তিক কৃষকের পণ্য পরিবহনে সরকারের বাড়তি কোনও খরচেরও প্রয়োজন হবে না।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তির নাম কৃষক। করোনাকালে প্রান্তিক কৃষকের পাশে দাঁড়ানো ঐতিহাসিক দুঃসাহসিক কাজ। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অনুপ্রেরণায় মানিকগঞ্জ জেলার ঝিটকা থেকে আমরা প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বিনা ভাড়ায় পরিবহনের কাজটি শুরু করেছি। কোভিড -১৯-এ সৃষ্ট বৈশ্বিক এই সংকটকালে জনগণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সেবাগুলো আরও সহজ করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে সরকার গত ৯ মে থেকে ‘কৃষকবন্ধু ডাক সেবা’ চালু করেছে। পাশাপাশি দেশের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে পেনশনভোগীরা যাতে কষ্ট না পান সে জন্য করোনাকালে দেশের সব ডাকঘর আমরা চালু রেখেছি। হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। ডাকঘরকে জরুরি সেবার আওতাভুক্ত করা হয়।”

তিনি বলেন, ‘প্রান্তিক কৃষকদের বিনা ভাড়ায় পণ্য পরিবহনের বর্তমান এই ব্যবস্থাটি আপৎকালীন। তবে আমরা এটি স্থায়ী পদ্ধতিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা কৃষকের পণ্য মাশুল ছাড়া পরিবহনের যে যাত্রাটি শুরু করেছি তা অব্যাহত রাখবো। সামনের যেকোনও কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ এখন প্রস্তুত। ডিজিটাল বাংলাদেশ অনেক প্রসারিত হয়েছে। জনগণকে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে শিক্ষিত হতে হবে।’

রংপুরের জেলা প্রশাসক মো. আসিব আহসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ এন আশিকুর রহমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. নূর-উর-রহমান, ডাক অধিদফতরের মহাপরিচালক এস এস ভদ্র, কৃষি বিপণন অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ইউসুফ, ডাক বিভাগের পরিচালক অসিত কুমার, মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন ভুইয়া এবং কৃষক প্রতিনিধি মতিনুর রহমান সরকার সংযুক্ত ছিলেন।

/সিএ/এফএস/এমওএফ/

লাইভ

টপ