করোনায় মৃতের তালিকায় আরও ৩৯ জন

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৪:৩৫, জুলাই ১৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:৩০, জুলাই ১৬, ২০২০

অধ্যাপক নাসিমা সুলতানাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো দুই হাজার ৪৯৬ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৭৩৩ জন। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হলেন এক লাখ ৯৬ হাজার ৩২৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৯৪০ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ৬ হাজার ৯৬৩ জন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটায় কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, দেশে বর্তমানে ৮০টি পরীক্ষাগারে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৩ হাজার ৫৪৮টি, পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৮৮৯টি। এখন পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯ লাখ ৯৩ হাজার ২৯১টি। ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৭৩৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ২০ শতাংশ, এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ২৭ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৩১ জন এবং নারী আট জন। এ পর্যন্ত যারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের মধ্যে পুরুষ এক হাজার ৯৭১ জন; যা ৭৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং নারী ৫২৫ জন; যা ২১ দশমিক ০৩ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৩৫ জন, আর বাড়িতে চার জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জানান, অঞ্চল বিবেচনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৮ জন, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে ছয় জন করে, রংপুর ও সিলেট বিভাগে তিন জন করে, বরিশাল বিভাগে দুই জন এবং রাজশাহী বিভাগে একজন রয়েছেন। 

এ পর্যন্ত বিভাগ অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ঢাকা বিভাগে এক হাজার ২৪২ জন, যা ৪৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ; চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৩৯ জন, যা ২৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ; রাজশাহী বিভাগে ১২৮  জন, যা পাঁচ দশমিক ১৩ শতাংশ; খুলনা বিভাগে ১৪৪ জন, যা পাঁচ দশমিক ৭৭ শতাংশ; বরিশাল বিভাগে ৯১ জন, যা তিন দশমিক ৬৫ শতাংশ; সিলেট বিভাগে ১১৩ জন, যা চার দশমিক ৫৩ শতাংশ; রংপুর বিভাগে ৮৩ জন, যা তিন দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৫৬ জন, যা দুই দশমিক ২৪ শতাংশ।

নাসিমা সুলতানা জানান, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে একজন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দুই জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে তিন জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে চার জন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের বয়স বিভাজনে দেখা যায়, শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে ১৭ জন, যা দশমিক ৬৭ শতাংশ; ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ২৯ জন, যা এক দশমিক ১৬ শতাংশ; ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৭৬ জন, যা তিন দশমিক শূন্য চার শতাংশ; ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৭৬ জন, যা সাত দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ; ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩৫৯ জন, যা ১৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ; ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৭৪২ জন, যা ২৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং ষাটোর্ধ্ব এক হাজার ৯৭ জন, যা ৪৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ৮৬৭ জন, আর আইসোলেশন থেকে মুক্ত হয়েছেন ৭০০ জন। এ পর্যন্ত মোট আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৪৭ জন, আর আইসোলশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২১ হাজার ৯১৬ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৮ হাজার ৩১ জন।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৪৩৯ জন, আর এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিনে গেছেন চার লাখ তিন হাজার ২৬৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিন থেকে মুক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৮৬৪ জন, আর এ পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন তিন লাখ ৪২ হাজার ৪৫৭ জন। বর্তমানে কোয়ান্টিনে আছেন ৬০ হাজার ৮১২ জন।

/জেএ/আইএ/এমএমজে/

লাইভ

টপ