রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়া ঠেকাতে কাজ করছে বিশেষ কমিটি

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৫:৪৯, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:৩৬, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০

জাতীয় পরিচয়পত্র
ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা অন্তর্ভুক্তি ঠেকাতে বিশেষ কমিটি কাজ করছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন (এনআইডি) অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

অবৈধভাবে ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা অন্তর্ভুক্তি রোধে গৃহীত পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রায় ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক তথ্যসহ আলাদা রোহিঙ্গা ডাটাবেজ স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি জানান, অবৈধভাবে রোহিঙ্গা ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি অনুসন্ধানে একটি টিম পাঠানো হয়। পরবর্তীতে অনুসন্ধান টিমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অধিকতর তদন্তে একটি কারিগরি এবং একটি প্রশাসনিক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের প্রতিনিধি রয়েছে। অধিকতর তদন্তের সুবিধার্থে একজন যুগ্মসচিবের নেতৃত্বে প্রশাসনিক কমিটি গঠন করা হয়। উভয় কমিটিতে বহিঃসংস্থার সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এনআইডি ডিজি বলেন, ‘ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা অন্তর্ভুক্তি রোধ করা কারও একার দায়িত্ব না, সামগ্রিক দায়িত্ব। এটি নিয়ে বিশেষ কমিটি কাজ করছে। আমরা নজরদারি বাড়িয়েছি। ইসির কর্মকর্তাদেরও নজরদারি করা হচ্ছে। আর এনআইডি নিতে যেসব দলিল লাগে সেগুলো কীভাবে রোহিঙ্গারা পায় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

দ্বৈত ভোটার নিবন্ধন রোধে গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দ্বৈত ভোটার পাওয়া গেলে প্রাথমিকভাবে বিধি মোতাবক প্রথমটি রেখে পরবর্তী ভোটার তথ্য ব্লক করে দেওয়া হয়। উদ্দেশ্যমূলকভাবে তথ্য গোপন করে দ্বৈত ভোটার হওয়ার প্রমাণ পাওয়ায় ইতোমধ্যে ৯২৭ জনের এনআইডি লক করা সহ ‌আইন অনুসারে নির্বাচন কমিশন ফৌজদারী মামলা দায়ের করার নির্দেশনা দিয়েছে। এছাড়াও দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও কর্মকর্তা/কর্মচারী দায়িত্বে অবহেলার বিপরীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তিনি জানান, ‘আমরা ইতোমধ্যে দুই লাখ সাত হাজার দ্বৈত ভোটার শনাক্ত করেছি। সবার বিষয়গুলো আমরা অবজার্ভ করছি। আমরা দেখছি উদ্দেশ্য কী ছিল। তবে আমরা সবার বিরুদ্ধে মামলা করিনি, করবোও না। যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে এটি করেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবো। তবে কেউ যদি সে বিষয়ে কমিশনে আবেদন করে, সেটি আমরা যাচাই-বাছাই করে কারণ জানবো, যে কোন উদ্দেশ্যে তারা এটি করেছে। সেটি আমরা কমিশনকে অবহিত করে ব্যবস্থা নেবো। যারা দ্বৈত হয়েছে আমরা তাদের নোটিফাইড করছি। এসএমএসের মাধ্যমেও তাদের জানিয়ে দিচ্ছি। তবে সবার মোবাইল নম্বর না থাকায় উপজেলা নির্বাচন অফিসের মাধ্যমে তাদের অবহিত করার ব্যবস্থা করছি।’

 

/ইএইচএস/এফএস/

সম্পর্কিত

লাইভ

টপ