অর্থ পাচারের মামলায় এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম. ওয়াহিদুল হক ও আবু হেনা মোস্তফা কামালের জামিন পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানাতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রবিবার (৪ মার্চ) এ ব্যাপারে লিখিত আকারে জানাতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবীকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১ মার্চ) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। দুদক-এর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।
এর আগে শুনানিতে আদালত বলেছেন, ১৬৫ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে মামলা হওয়ার সাড়ে তিন ঘণ্টার মধ্যে রিমান্ডের আবেদন থাকার পরেও দু’জন আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট জামিন দিয়েছেন। আরেক আসামিকে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন। নথি পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, জামিন ও রিমান্ডে পাঠানোর আদেশের মধ্যেই বৈপরীত্য রয়েছে। কারণ রিমান্ডে পাঠানোর আদেশে ম্যাজিস্ট্রেট বলেছেন যে, এটা স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচার্য। আবার দু’জনকে জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে অসুস্থতার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। এটা কীভাবে সম্ভব?
প্রসঙ্গত, গত ২৫ জানুয়ারি ১৬৫ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে নগরীর মতিঝিল থানায় একটি মামলা করে দুদক। ওই মামলায় এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম. ওয়াহিদুল হক ও আবু হেনা মোস্তফা কামালকে জামিন দেন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। তবে ব্যবসায়ী সাইফুল হককে জামিন না দিয়ে রিমান্ডে পাঠায় একই আদালত।
পরে বিষয়টি নজরে আসায় গত ৩১ জানুয়ারি হাইকোর্ট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জামিন আদেশ কেন বাতিল করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। ওই রুলের ওপর বৃহস্পতিবার শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। সেই শুনানিতে এবি ব্যাংকের দুই কর্মকতার বিরুদ্ধে কী ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে তা জানতে চেয়েছেন আদালত।








