বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) এই পর্যন্ত মোট ৫৮ জন এইচআইভি আক্রান্ত গর্ভবতী মা সুস্থ সন্তান প্রসব করেছেন বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। স্ট্রেনদেনিং অব এইচআইভি সার্ভিসের আওতায় তারা চিকিৎসাসেবা নেন।
শনিবার (১ ডিসেম্বর) বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে বিএসএমএমইউ আয়োজিত র্যালিতে অংশ নিয়ে উপাচার্য এসব কথা বলেন।
‘এইচআইভি পরীক্ষা করুন; নিজেকে জানুন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে এ বছর দিবসটি পালিত হচ্ছে।
উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ‘১৯৮৯ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগে বাংলাদেশে প্রথম এইচআইভি শনাক্ত করা শুরু হয় এবং তা অব্যাহত আছে। দেশ নতুন ৫৮টি সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এইচআইভিতে আক্রান্ত সব রোগীদের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় তার সেবার পরিধি বৃদ্ধি করেছে, যা স্ট্রেনদেনিং অব এইচআইভি সার্ভিসেস নামে গত বছরে শুরু হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সেবামূলক কার্যক্রমটি জাতীয় এইডস এবং এসটিডি প্রোগ্রাম ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।’
অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ‘এইচআইভি পরীক্ষায় লজ্জার কিছু নেই। তবে, সবক্ষেত্রেই প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। প্রতিরোধের জন্য জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বিনামূল্যে এআরভি (অ্যান্টিরেক্ট্রো ভাইরাল) ভ্যাকসিন প্রদান ও সব রোগের যথাযথ চিকিৎসা সেবার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৪৬ জন রোগী এআরভি নিয়েছেন। তাদের সব পরীক্ষা ও চিকিৎসসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং এই সেবাও অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ শিকদার, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, বিশ্ব এইডস দিবস উদযাপন কমিটি ২০১৮-এর সভাপতি, অবস অ্যান্ড গাইনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সালেহা বেগম চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।








