উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমাতে চেয়েছিলেন মালিহা রাহানাজ। তবে ঠিক কিভাবে শুরু করবেন তা বুঝে উঠতে পারছিলেন না। পরবর্তিতে ঠিকই ভর্তি হন লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অব নটিংহামে। আর সেসময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল এডুকেশনাল কনসালট্যান্সি প্রতিষ্ঠান মেইসেস। মালিহার মত এমন অনেক শিক্ষার্থীই মেইসেসের সহযোগিতা নিয়ে পড়ছেন দেশের বাইরের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে।
বাংলাদেশ থেকে যেন আরও শিক্ষার্থী বাইরে পড়াশোনার সুযোগ পায় তাই সম্প্রতি এক আলোচনা সভার আয়োজন করে প্রতিষ্ঠানটি। শুক্রবার (১ মার্চ) ডেইলি স্টার সেন্টারে অনুষ্ঠিত আলোচনা পর্ব। আলোচনায় মূল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন্ডনের কুইন মেরী ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নিয়োগ সংক্রান্ত বিভাগের প্রধান লী ওয়াইল্ডম্যান এবং ইউনিভার্সিটি অব নটিংহাম এর পক্ষ থেকে দক্ষিণ এশিয়ার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ম্যানেজার এমা উইন্টার।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মেইসেস থেকে সহযোগিতা গ্রহণ করে দেশের বাইরে বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা সম্পন্ন করা কিছু শিক্ষার্থীও। যারা নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে নেন উপস্থিত সবার সঙ্গে।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পথ প্রশস্ত করার জন্যই এই আয়োজন বলে জানিয়েছেন আলোচকরা। তারা বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ কে ৯০ জন শিক্ষার্থী ইউনিভার্সিটি অব কুইন মেরীতে পড়াশোনা করছেন। আর নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন ৪০ জন।’ এছাড়া বাংলাদেশি এলামানাই শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও হাজারের বেশি বলে জানান তারা।
আয়োজনকারী প্রতিষ্ঠান মেইসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রওহাম মনজুর উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ২০০৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৬টি দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শতাধিক বিদেশি ডিগ্রি অর্জনের জন্য ৩ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীকে সহায়তা করছেন তারা।








