অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় ডিআইজি মিজানুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদনের তারিখ পিছিয়ে আগামী ২৯ আগস্ট ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার (২৪ জুলাই) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ তারিখ পিছিয়ে দেন।
এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন– মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না ওরফে রত্না রহমান, ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগ্নে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান। ডিআইজি মিজান ও তার ভাগ্নে এসআই মাহমুদুল হাসান কারাগারে আছেন।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে তিন কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তিন কোটি সাত লাখ পাঁচ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০০৪ সালের দুদক আইনের ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং আইনের ৪(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় গত ২৪ জুন দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি দুদকের ঢাকা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে দায়ের করা হয়।






