কানাডার সরকারি কোম্পানি ‘কানাডা কমার্শিয়াল করপোরেশন’ বাংলাদেশের কাছে আরও দুটি ড্যাশ-৮ কিউ-৪০০ উড়োজাহাজ বিক্রির আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী এ বিষয়ে কানাডিয়ান হাইকমিশনারকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব দেওয়ার কথা বলেছেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান হাইকমিশনার বেনইত প্রিফনটেইনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ প্রস্তাব দেয়।
এ সময় হাইকমিশনার জানান, কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন নতুন উড়োজাহাজ দুটি ২০২১ সালের মধ্যে সরবরাহ করতে পারবে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মহিবুল হক প্রতিনিধিদলকে জানান, কানাডার কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পর বিমানের মূল্য এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় পর্যালোচনা সাপেক্ষে তা সন্তোষজনক হলে বাংলাদেশ নতুন উড়োজাহাজ দুটি ক্রয় করতে পারে।
উল্লেখ্য, অভ্যন্তরীণ রুটে ও স্বল্প দূরত্বে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য এ বছরই মে-জুন মাসের মধ্যে আগের কেনা নতুন তিনটি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজ ঢাকায় পৌঁছাবে।
বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে টরেন্টোতে সরাসরি বিমান চলাচলের জন্য কানাডার সহযোগিতা চাওয়া হয়। জবাবে কানাডিয়ান হাইকমিশনার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের প্রস্তাবিত ঢাকা-ম্যানচেস্টার-টরেন্টো ও ঢাকা-রোম-টরেন্টো রুটে ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে কানাডার পক্ষ থেকে ফিফ্থ ফ্রিডম অব এয়ার প্রদানের আশ্বাস দেন। কানাডিয়ান হাইকমিশনার বাংলাদেশের পর্যটনের উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করারও আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে কানাডিয়ান হাইকমিশনার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমানে বাংলাদেশ ও কানাডার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ভালো সময় পার করছে। এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কানাডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডোর সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।
বৈঠকে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশনের এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক মিজ ইভোনি চিন ও ঢাকায় কানাডিয়ান হাইকমিশনের ট্রেড কমিশনার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।








