নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ ও মুলাদীতে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। শুক্র (২৫ ডিসেম্বর) ও শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র ও কাউন্সিল প্রার্থীদের সমর্থকরা। মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজ্জ্বল কুমার দে এবং মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হামলার ঘটনাগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকালে মেহেন্দিগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বদরপুর মহল্লায় প্রতিদ্বন্দ্বী দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণার সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিরব ব্যাপারী ও সাধারণ সম্পাদক শাকিল হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। ওই সংঘর্ষের জের চলে শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) অব্দি। শনিবার সকালে পাতারহাটে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সমানে নিরব ব্যাপারীর দুই সমর্থক মেহেদি ও নাবিলকে পিটিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষ।
শনিবার সন্ধ্যায় পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চুনারচর এলাকায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন দিপেনের প্রচারণা চলাকালে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী কামালউদ্দিন খানের সমর্থকরা হামলা চালিয়ে মাইক ভেঙে ফেলে বলে অভিযোগ করেন মেয়র প্রার্থীর সমন্বয়কারী বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান মুক্তা। একই দিনে ওয়ার্ডের হেলিপ্যাড এলাকায় আরও দুই বিএনপি কর্মী বাদশা ও শুকুর আহমেদের ওপরও হামলা করা হয়।
মুলাদী পৌরসভায় বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী আসাদ মাহমুদের প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী অধ্যাপক মো. শরীয়তুল্লাহ ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন কবিরের ওপর আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী শফিকুজ্জামান রুবেলের সমর্থকরা পৌরসভার রেইন্ট্রিতলা এলাকায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছেন বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির দফতর সম্পাদক নুরুল আলম রাজু।
মুলাদী থানার ওসি বলেন, সংঘর্ষের কথা জেনে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এমন ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/এইচকে/







