হলফনামায় সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক বলে তথ্য দিলেও এখন মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী শাহ আব্দুল্লাহ আল মামুন! এমনকি প্রার্থী কর্তৃক পূরণীয় এমন ভুল তথ্য মনোনয়নপত্র বাছাইকালেও ধরা পড়েনি।
বিএনপি প্রার্থী শাহ আব্দুল্লাহ আল মামুন নিজে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তার বড় ভাই শাহ আব্দুল মতিন অবশ্য একই পৌর এলাকার চার নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী। এ কারণে ওই ওয়ার্ডে মেয়র পদে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি সাধারণ কাউন্সিলর পদেও ভোট চাইতে হচ্ছে তাদের স্বজনদের।
জানা যায়, বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে এবার মেয়র পদপ্রার্থী হয়েছেন শাহ আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি গতবারের উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। জানা যায়, দলের মনোনয়নের কাগজের সঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের কাছে দেওয়া হলফনামায় শাহ আবদুল্লাহ আল মামুন নিজেকে সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক বলে তথ্য দেন। তবে তার হলফনামায় ওয়ার্ড নম্বর উল্লেখ নেই। মনোনয়নপত্র বাছাইকালেও তার প্রার্থিতা বাতিল হয়নি। পরে দলের মনোনয়ন জমা দেওয়ায় তিনি ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পান।
এই ভুলকে রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তা-ব্যক্তিদের গাফিলতি ও ব্যর্থতা বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তবে বিষয়টি নিয়ে শাহ্ আবদুল্লাহ্ আল মামুন বলেন, ‘এটি আমার নিজের ভুল নয়। কম্পোজ করতে বিষয়টি ভুল হয়েছে।’
এ ব্যাপারে গফরগাঁওয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও রিটার্নিং অফিসার সিদ্ধার্থ শংকর কুণ্ডু সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখন আমার কিছুই করার নেই। তবে কেউ অভিযোগ করলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর এ বিষয়ে বেশি ঘাঁটাঘাঁটি না করার জন্য অনুরোধ জানান।
এদিকে গফরগাঁও পৌর এলাকার চার নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন শাহ আবদুল্লাহ আল মামুনের বড় ভাই শাহ আবদুল মতিন। তারা পৌরসভার ষোলহাসিয়া এলাকার বাসিন্দা। শাহ আবদুল মতিন আগেও কাউন্সিলর ছিলেন। গত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সামান্য ভোটের ব্যবধানে তিনি হেরে যান। এবারও তিনি ঢেঁড়স প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হয়েছেন।
/এসএম/টিএন/








