কেন্দ্র দখল, জালভোটসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও বিচ্ছিন্ন সহিংসতার ভেতরেই দেশের ২৩৪টি পৌরসভায় ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। সকাল ৮ টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে কোনও রকম বিরতি ছাড়াই বিকাল ৪টায় ভোট গ্রহণ শেষ হয়। তবে প্রায় প্রতিটি পৌরসভায় সংঘর্ষ, জালভোট, কারচুপিসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সরকারি দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগে নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভায় নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও যশোরের একটি কেন্দ্রে শতভাগ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন দেখিয়ে দুপুর আড়াইটার মধ্যে ভোটগণনা শুরু করায় ওই কেন্দ্রের ভোটও বাতিল করেছেন স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তা। শেষ পর্যন্ত ১২ জেলায় ৩১ টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত ও সংঘর্ষে অন্তত অর্ধ শতাধিক ব্যক্তি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে, কেন্দ্র দখলের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন অর্ধ শতাধিক প্রার্থী। এদের বেশিরভাগই বিএনপি ও আওয়ামী লীগের। এদিকে যশোরের একটি ভোটকেন্দ্রে দুপুরের মধ্যেই শতভাগ ভোটগ্রহণ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেখানে দুপুর আড়াইটায় ভোট গণনা শুরু হয়। তবে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর অভিযোগ ওই কেন্দ্রে আগের রাতে ভোট চুরি ও সকালে ভোট ডাকাতি করা হয়েছে।

এদিকে পৌর নির্বাচনের ভোট শেষ হওয়ার পূর্ব মুহুর্তে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের বৈঠকের জন্য ডেকেছেন দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। গুলশানে তার দলীয় কার্যালয়ে আজ বুধবার রাতেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অন্যদিকে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিকাল ৪টায় পৌর নির্বাচন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে দাবি তুলেছেন পৌরসভাগুলোর মধ্যে যেসব কেন্দ্র থেকে বিএনপির পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে সেগুলোতে আবারও ভোটগ্রহণ করতে হবে।
আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
চট্টগ্রামে কাউন্সিলর প্রার্থীদের সংঘর্ষে একজন নিহত:
চট্টগ্রামের সাতকনিয়ায় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে নুরুল আমিন (৪০) নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। সাতকানিয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রের বাইরে হোস্টেল মাঠে কাউন্সিলর প্রার্থী মোজাম্মেল হক ও মনিরুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, কেন্দ্রের ভেতরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। তবে বাইরে গোলাগুলিতে একজন মারা গেছে বলে তারা শুনেছেন।

এদিকে বিএনপি অভিযোগ করেছে, বিভিন্ন স্থানে ভোটকেন্দ্র দখল করে প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে সিল মারছে আওয়ামী লীগের কর্মীরা। ভোট শুরুর পর প্রথম আড়াই ঘণ্টায় অন্তত ৬০টি কেন্দ্র আওয়ামী লীগের কর্মীরা দখল করে নেয় বলে অভিযোগ করে তারা। তবে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আওয়ামী লীগ বলেছে, বিএনপি নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায়।
বেলা ১২টা নাগাদ অন্তত ২৫টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়েছে। নড়াইলের কালিয়ায় বিএনপির প্রার্থী স ম ওয়াহিদুজ্জামান ভোটে অনিয়মের ও কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন বর্জন করেছেন। লক্ষ্মীপুরের বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থীও ভোট বর্জন করেছেন। মানিকগঞ্জের বিভিন্ন কেন্দ্রে ব্যালট ছিনতাই ও জালভোটের অভিযোগ উঠেছে। বরগুনা, জামালপুর, ময়মনসিংহসহ আরও কয়েকটি স্থানে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
যশোরে দুপুর আড়াইটায় ভোট গণনা শুরু, পরে কেন্দ্র বাতিল:
যশোরের এমএম কলেজ ভোটকেন্দ্রে দুপুর আড়াইটার মধ্যেই ভোটগণনা শুরু হওয়ায় বিকাল সাড়ে চারটার দিকে ওই কেন্দ্রটির ভোট বাতিল করা হয়। রিটার্নিং অফিসার সাবিনা ইয়াসমীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে প্রিজাইডিং অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, ১০০ ভাগ ভোট পড়ায় আমরা ভোট গণনা শুরু করেছি।
এ কেন্দ্র নিয়ে বিএনপি প্রার্থী মারুফুল ইসলাম এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুজ্জামান চুন্নুর বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। তারা বলেছেন, ওই কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে রাতে ভোট চুরি হয়েছে আর দিনে ভোট ডাকাতি হয়েছে।
ভোট শুরুর আগেই ব্যালটে সিল!
মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভার দুটি কেন্দ্রে ভোট শুরু হওয়ার আগেই ১৩০০টি ব্যালটে নির্বাচন সিল মারা অবস্থায় পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ওই দুইটি কেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
এ পৌরসভায় মোট ১৭টি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে কাষ্টগড় কেন্দ্রে প্রায় ৮০০ এবং জোনারদন্দী কেন্দ্রে প্রায় ৫০০টি ব্যালটে নির্বাচন শুরুর আগেই সিল মারা অবস্থায় পাওয়া যায়।
কাষ্টগড় কেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার রামচন্দ্র মজুমদার বলনে, এই কেন্দ্রে ৮০০ ব্যালটে মেয়র পদে নৌকা ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে কাস্তে মার্কার সিল মারা ছিল।
মাদারীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বলেন, ভোটকন্দ্র দুটিতে প্রিজাইডিং অফিসারদের জিম্মি করে একদল দুষ্কৃতিকারী ব্যালটে সিল মেরে রাখে। এ ঘটনায় পরে ওই দুই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এসব কেন্দ্রে কবে ভোটগ্রহণ হবে সে বিষয়ে পরে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।
ভোট দিতে না পেরে দুপুরেই ফিরে গেলেন ভোটাররা
ঝিনাইদহের শৈলকুপা পৌরসভার চতুড়া ভোটকেন্দ্রে দুপুরে ভোট দিতে এসে ফিরে গেছেন অনেক ভোটার। এক ভোটার জানান, লাইনে দাঁড়িয়ে আছি অনেক সময়, কিন্তু ভোট নেওয়া হচ্ছে না। ব্যালট পেপার নাকি শেষ হয়ে গেছে। দুপুর ১২টার দিকে কে বা কারা এসে সব ব্যালট পেপারে সিল দিয়ে চলে গেছেন। তাই আমাদের ভোট নেওয়া হচ্ছে না। তবে রিটানিং অফিসার দিদারুল আলম বলেন, এমন কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন, তবে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে না।
বিএনপি প্রার্থীকে নির্বাচন ছাড়তে বাধ্য করার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের তারাব পৌরসভার নির্বাচনে কারচুপি, জাল ভোট ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ করেছেন মেয়র প্রার্থী নাসিরউদ্দিন ভূইয়া। ভোট শেষ হওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টা আগে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন বিএনপি সমর্থিত এ প্রার্থী।নাসিরউদ্দিন ভূইয়া বলেন, ‘আমরা নির্বাচন বর্জন করিনি। কিন্তু নির্বাচনের মাঠে থাকতে পারছি না। কারণ সরকারি দলের প্রভাবের কারণে আমরা বাধ্য হয়েছি নির্বাচন থেকে সরে আসতে।’
তিনি বলেন, নির্বাচন বর্জন করিনি, কিন্তু কোন কেন্দ্রে আমাদের কোনও পোলিং এজেন্ট নেই। তাদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন আর কোনও কেন্দ্রে আমাদের কোনও লোকজনের উপস্থিতি নেই।
মুন্সীগঞ্জে দফায় দফায় সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১৫
মুন্সীগঞ্জে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষে ৪ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে প্রথম সংঘর্ষ হয়। শহরের ইদ্রাকপুর ও হাটলক্ষ্মীগঞ্জ ভোটকেন্দ্রের বাইরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাজী ফয়সাল বিপ্লব ও কাউন্সিলর প্রার্থী মকবুল হোসেনের সমর্থকদের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় তারা কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে।
শীলমন্দী কেদ্রে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে কিছু দুর্বৃত্ত সকালের খবরের মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি আরাফাতুজ্জামান বাবুকে আহত করে।
অপরদিকে, বিভিন্ন কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং হামলার অভিযোগ এনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল ইসলাম সংগ্রাম নির্বাচন বয়কট করে পুনর্নির্বাচন দাবি করেছেন।
মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল হালিম জানান, বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জে নির্বাচনি সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ২
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের গুলিতে অন্তত দুইজন আহত হয়েছেন। গোবিন্দগঞ্জ মগাইবান্ধা জেলাহিলা কলেজ কেন্দ্রের বাইরে তিন কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৬ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে। এতে ওই দুই ব্যক্তি আহত হন।
গোবিন্দগঞ্জ মহিলা কলেজ ভোটকেন্দ্রের ফটকের বাইরে তিন কাউন্সিলর প্রার্থী আরিফুল হক প্রধান (পাঞ্জাবি), জাকারিয়া ইসলাম সাজু ( ডালিম) ও শাহীন আকন্দ ( উটপাখি) এর সমর্থকদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ ও পরে দুপুর ১২টার দিকে শটগানের ৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে রাজ্জাক ও লুৎফর নামের দুই ব্যক্তি আহত হন। আহতরা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হক ৬ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
লাকসামে অস্ত্রসহ আটক ৮
কুমিল্লার লাকসামে পৌর নির্বাচন শুরু হওয়ার পরপরই ভোটারদের মাঝে প্রভাব বিস্তারের সময় দেশীয় অস্ত্রসহ ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। রিটার্নিং অফিসার রাশেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলেন উপজেলার উত্তরদা ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম রাব্বানী, সদর দক্ষিণ উপজেলার বাগমারা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি আয়াত উল্লাহ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জাহাঙ্গীর হোসেনসহ আটজন।
চান্দিনা পৌরসভার বেলাশ্বর কেন্দ্রে তিন কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১৫ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে।
বরগুনায় ওসি, সাংবাদিকসহ আহত ৫০
বরগুনা পৌরসভার গগন মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে উত্তেজিত জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকাল ৯টার দিকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজের পক্ষে একদল সন্ত্রাসী কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় সাময়িকভাবে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে পুলিশ। ভোট দিতে না পেরে ক্ষিপ্ত হয় সাধারণ ভোটাররা। এসময় উত্তেজিত জনতা ভোটকেন্দ্র লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়লে আহত হন সদর থানার ওসি রিয়াজ হোসেন পিপিএম, প্রিজাইডিং অফিসার মঞ্জুরুল আলম, সময় টিভির ক্যামেরাম্যান এসএম সিফাতসহ অন্তত ৫০ জন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১০ রাউন্ড গুলি ও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। ঘটনাস্থলে বিজিবি, এপিবিএন এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সৈয়দপুরে ভোট স্থগিত ৫ কেন্দ্রে: নীলফামারীর সৈয়দপুরে আ.লীগ প্রার্থী অধ্যাপক সাখাওয়াত হোসেনের সমর্থকদের সঙ্গে বিএনপি প্রার্থীর সংঘর্ষের পর মুসলিম হাই স্কুল, নয়াটোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ফ্রি আমিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রসহ ৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়ে গেছে। জেলার নির্বাচন কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার জুলহাজ উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এসময় পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়লে ফজলুর রহমান নামে এক ভোটারের কানে গুলি লাগে।
কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের উলিপুরের একটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।








