রাজবাড়ির পাংশা উপজেলার হাবাজপুর গ্রামের ইসলাম মণ্ডলের ছেলে নূর নবী। ভ্যান চালিয়ে সংসার চালান তিনি। স্ত্রী থাকেন গ্রামে, আর তিনি রাজধানীতে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা চালান। কিন্তু সেই জীবিকায় এখন পড়েছে ভাটা। রবিবার (২৭ জুন) রাতে মগবাজারের বিস্ফোরণে আহত হয়ে তিনি এখন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা বলছেন, নূর নবীর শরীরের ৯০ শতাংশই পুড়ে গেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নূর নবীর স্বজনরা জানান, তার স্ত্রী এক সন্তান নিয়ে গ্রামের বাড়িতে বসবাস করেন। নূর নবী ঢাকা শহরে ভ্যান চালান। স্বামী আহত হওয়ার খবর শুনে রংপুর থেকে হাসপাতালে ছুটে এসেছেন স্ত্রী। লকডাউন থাকায় কয়েকবার ভেঙে ভেঙে আসতে হয়েছে তাকে। এসেই স্বামীকে এক নজর দেখে নির্বাক হয়ে পড়েন তিনি।
নূর নবীর চাচাতো ভাই পলাশ বলেন, ‘নবী এলিফ্যান্ট রোডে বাটা সিগন্যাল এলাকায় কয়েকজনের সঙ্গে মেসে থাকেন। ঘটনার দিন বাড্ডা এলাকায় কিছু মালামাল ভাড়ায় নিয়ে যায়। সেখানে মালগুলো নামিয়ে দিয়ে বাসায় ফেরার পথে মগবাজার এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হন। লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে আমরা খোঁজ করতে করতে হাসপাতালে এসে তাকে পাই।’
প্রসঙ্গত, রবিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে একটি তিনতলা ভবনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দুই শতাধিক আহত ও ৭ জন নিহত হন। ঘটনাস্থলে অসংখ্য যানবাহন ও ভবন এই বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভ্যানচালক নূর নবীও এ ঘটনায় দগ্ধ হন।









