‘মুজিববর্ষে অঙ্গীকার করি, সোনার বাংলা সবুজ করি’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে রাজধানীর হাতিরঝিলে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি করেছে বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)। বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন পুনাক সভানেত্রী জীশান মীর্জা, পুনাকের সাধারণ সম্পাদিকা মোছা. খাদিজা তুল কোবরা, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মীর রেজাউল আলম, হাতিরঝিল প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী শাকিল হোসাইনসহ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পুনাকের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা।
এ সময় পুলিশ প্লাজা সংলগ্ন হাতিরঝিল রাস্তায় বনজ, ফলদ ও ঔষধিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করেন পুনাক সভানেত্রী।
বৃক্ষ রোপণ শেষে পুনাক সভানেত্রী জীশান মির্জা বলেন, ‘বাঙালি জাতির জন্য শোকের মাস আগস্ট। শোক থেকে অর্জিত শক্তি দিয়ে আমরা বারবার উঠে দাঁড়াই কিছু করার লক্ষ্যে। ‘মুজিব শতবর্ষ’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ছিল এক কোটি গাছ রোপণের মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়ার। তার আহ্বানে পুনাক এই ছোট উদ্যোগ নিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন পুনাক একটি অলাভজনক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পুনাকের পক্ষ হতে আমরা সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ করে যাচ্ছি। এটি পুনাক ও বাংলাদেশ পুলিশের একটি যৌথ উদ্যোগ। গাছ শুধু রোপণ করলেই হবে না, তার পরিচর্যা করতে হবে। পুলিশ পরিবারের পক্ষ হতে আমরা প্রাধান্য দিয়েছি ফলের গাছ লাগানোর জন্য। যাতে পথচারীরা ফল খেতে পারেন।’
সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মীর রেজাউল আলম বলেন, ‘কোভিড ১৯ পরিস্থিতিতে আমরা দেখেছি পুনাকের সভানেত্রী দিন-রাত গরিব, অসহায়, দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করেছেন। পুনাকের প্রতিটি সদস্য গরিব, দুঃস্থদের সহায়তায় পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। পুনাকের সভানেত্রীর উদ্যোগে দেশে পুলিশের প্রতিটি ইউনিটে একযোগে এ বনায়ন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় হাতিরঝিলে গাছ রোপণ করা হচ্ছে। ঢাকার প্রথম ফুসফুস হচ্ছে রমনা পার্ক এবং দ্বিতীয় ফুসফুস হাতিরঝিল।’
বুধবার (১১ আগস্ট) সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ ড. বেনজীর আহমেদ।









