বিনিয়োগের নামে জুয়ার অ্যাপ

পৌনে ২০০ কোটি টাকা সরিয়েছে ভারতের গেমিং কোম্পানি

আমানুর রহমান রনি
২৫ অক্টোবর ২০২২, ১০:০০আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২২, ১০:০০

গেম বানানোর কথা বলে বাংলাদেশে মাত্র সোয়া কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ভারতের গেমিং কোম্পানি মুনফ্রগ ল্যাবস প্রাইভেট কোম্পানি লিমিটেড। তবে গেম না বানিয়ে একটি তাসের খেলা অনলাইনে ছড়িয়ে দিয়ে তিন বছরে বাংলাদেশ থেকে প্রায় পৌনে ২০০ কোটি টাকা সরিয়েছে ভারতের ওই গেমিং কোম্পানিটি। বাংলাদেশে সকল ধরণের জুয়া নিষিদ্ধ হলেও অনলাইন গেমিং সেক্টরে বিনিয়োগের কথা বলে ‘তিন পাত্তি গোল্ড’ নামে তিন তাসের এই জুয়া ছড়িয়ে দিয়েছে ভারতের কোম্পানিটি। শর্ত থাকলেও তারা গেম ডেভেলপমেন্টে বাংলাদেশে কোনও দৃশ্যমান বিনিয়োগ করেনি। কেবল ভারতে প্রচলিত ‘তিন পাত্তি গোল্ড’ নামে তাসের খেলাটিকে বাংলাদেশে স্থানান্তর করতে যে জনবল ও খরচ দরকার হয়েছিল, তাই করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) অনুমোদিত হওয়ায় বৈধভাবেই বাংলাদেশ থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা সরিয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) ইকোনমিক ক্রাইম অ্যান্ড হিউম্যান ট্রাফিকিং টিমের ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগ একটি মামলা তদন্ত করতে গিয়ে এমন তথ্য পেয়েছে। সিটিটিসি ছাড়াও সরকারি একাধিক তদন্ত সংস্থা এই গেমিং কোম্পানিটিকে নজরদারিতে রেখেছে। ইতোমধ্যে ভারত ও বাংলাদেশের ওই দুইটি গেমিং কোম্পানি সুইডিশভিত্তিক অপর আরেকটি কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান টাকা পাচার করেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ভারতের গেমিং কোম্পানি যেভাবে বাংলাদেশে আসে

২০১৭ সালে ভারতের একটি গেমিং এক্সপোতে যান বাংলাদেশি তরুণ জামিলুর রশীদ। সেখানে বসে ভারতের গেমিং কোম্পানি ‘মুনফ্রগ ল্যাবস প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর ‘তিন পাত্তি গোল্ড’ গেমের বাংলাদেশি এজেন্ট হয় জামিলুর রশীদ। তিনি প্রথমে মুনফ্রগের বাংলাদেশে নিযুক্ত কর্মকর্তা ছিলেন। তবে ‘তিন পাত্তি গোল্ড’  বাংলাদেশে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাওয়া ভারতের কোম্পানিটি বাংলাদেশে গেমটিকে আরও ছড়িয়ে দিতে পরিকল্পনা করে। এরপর মুনফ্রগ বাংলাদেশে বৈধভাবে ব্যবসা করার জন্য চেষ্টা শুরু করে।

সরকারি একাধিক তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, অনলাইনে তিন তাসের এই খেলাটি জুয়া আইনে বাধা কিনা, তা যাচাই-বাছাই করতে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর আইনজীবীরা মতামত দেন। আইনজীবীরা বাংলাদেশের দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট বা জুয়া আইনে গেমটি বাধা পড়ে কিনা তা যাচাই করেন। তারা মতামত দেন—এটা জুয়া আইনের অধীনে পড়ে না। এরমধ্যে জামিলুর রশীদ নিজে ২০১৯ সালের শুরুর দিকে ‘উল্কা গেমস প্রাইভেট কোম্পানি লিমিটেড’ নামে একটি গেম কোম্পানির অনুমোদন নেন। ২০১৯ সালে উল্কার সঙ্গে ভারতের গেমিং কোম্পানি মুনফ্রগ চুক্তি করে। বিদেশি বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে আইনগতভাবে বাংলাদেশে ১ শতাংশ শেয়ার থাকতে হবে, তাই উল্কাকে এক শতাংশ শেয়ার দেয় মুনফ্রগ। এরপর ২০১৯ সালের মে মাসের দিকে ‘তিন পাত্তি গোল্ড’ বৈধভাবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা করে। দ্রুত এই গেম শহর-নগরে ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ ও খেলোয়াড়রা বলছে এটি জুয়া

‘তিন পাত্তি গোল্ড’ মোবাইলে অ্যাপস ডাউনলোড করেই খেলা যায়। এখানে তিন পাত্তি গোল্ডসহ মোট চারটি গেম রয়েছে। অপর তিনটি গেম হলো—রামি, আন্ধর বাহার ও পোকার। তবে ‘তিন পাত্তি গোল্ড’ বেশি জনপ্রিয়।

শামীম রেজা নামে খুলনার এক তরুণ নিয়মিত ‘তিন পাত্তি গোল্ড’ খেলেন। তার সঙ্গে বাংলা ট্রিবিউনের কথা হয়। ‘তিন পাত্তি গোল্ড’ খেলতে যে রিওয়ার্ড, চিপস বা কয়েনের দরকার হয়—শামীম রেজা তা বেচা-কেনা করেন। এছাড়াও আইডি ভিআইপি ও ডিলারশিপ নিয়ে দিতে পারেন তিনি। তবে এজন্য কোম্পানিকে টাকা দিতে হয়।

শামীম রেজা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তিন পাত্তি গোল্ড’ অনেক জনপ্রিয়। অ্যাপস নামিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে খেলতে হয়। এখানে চিপস বা কয়েন কিনতে হয়। চিপস বা কয়েন দুইভাবে ক্রয় করা যায়। কোম্পানি থেকে অথবা ডিলার থেকে। সবাই কয়েন বিক্রি করতে পারে না—যার আইডি ভিআইপি সে পারে। এটা একটা জুয়া, এখানে অনেক খেলা আছে। মনোযোগ দিয়ে খেললে জিতবে, না হয় হারতেই থাকবে।’

কয়েন কেনা-বেচার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তিন পাত্তি গোল্ডের অ্যাপসের নিচের দিকে প্রাইভেট টেবিল নামে একটি যোগাযোগ মাধ্যম রয়েছে। সেই প্রাইভেট টেবিলে গিয়ে একজন খেলোয়াড় আরেকজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে কথা বলতে পারে। কারও কাছে অনেক চিপস বা কয়েন থাকলে সে কয়েক ক্লিকে ইচ্ছে করে হেরে অন্যকে জিতিয়ে দেয়। এরপর যত কয়েন নিলো, তা হিসাব করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করে।’

সাধারণত কোটির হিসেবে চিপস বা কয়েন বিক্রি হয়। বিভিন্ন প্যাকেজে চিপস বিক্রি হয়ে থাকে। ২১ কোটির প্যাকেজ ১১৫০ টাকা, ৫১ কোটির প্যাকেজ ২৮০০ টাকা। তবে ডিলার ও কোম্পানির দরে ভিন্নতা রয়েছে।

পুলিশও দাবি করেছে, এখানে ইচ্ছে করে হার-জিতের অপশন রয়েছে। কাউকে জেতানোর অপশন রয়েছে। চিপস বা কয়েন ক্রয়-বিক্রিয়ের বিষয় রয়েছে, এটা অনলাইন জুয়া।

কোন বছর কত টাকা সরিয়েছে

একটি আন্তর্জাতিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে অর্থ নিয়েছে ভারতের ওই প্রতিষ্ঠানটি। অনলাইন জুয়া পরিচালনা করে কোম্পানিটি ২০১৯–২০ অর্থ বছরে দেশ থেকে প্রায় ১৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা সরিয়ে নিয়েছে। পরের অর্থ বছরে সরিয়েছে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা। আর চলতি অর্থ বছরে তারা প্রায় ৯৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সরিয়ে নিয়েছে। বিডার অনুমতি থাকায় অনলাইন জুয়ার কোম্পানিটি টাকা ব্যাংকিং মাধ্যমে দেশ থেকে নিয়ে গেছে। 

সকল নিয়ন্ত্রণ ভারতে

অনলাইন গেমের জন্য জনপ্রিয় ভারতীয় এই কোম্পানিটি ২০১৪ সালে ব্যবসা শুরু করে। অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে  সমস্তকিছুই পরিচালনা করা হয় ভারত থেকে। আর দেশে এসব অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইট চলে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) দিয়ে।

পুলিশের বক্তব্য

সিটিটিসির অতিরিক্ত উপ–কমিশনার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা নিয়মিত সাইবার টহলের (পেট্রোলিং) মাধ্যমে অনলাইনে জুয়া খেলার বিষয়টি জানতে পারি। পরে অভিযান চালিয়ে বিদেশি কোম্পানির একজন প্রতিনিধিকে গ্রেফতার করা হয়।’

এই ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) শাহজাহানপুর থানায় মামলা হয়েছে।

তিনি বলেন, অনলাইনে জুয়া পরিচালনার সঙ্গে জড়িত প্রতিনিধি (এজেন্ট) ও উপপ্রতিনিধিদের (সাব-এজেন্ট) নাম পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 

অনুমতির জন্য প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি

বাংলাদেশ সবসময় বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করে আসছে। বিদেশি বিনিয়োগের অনুমতি দিয়ে থাকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। গেমিং ডেভেলপমেন্টে ভারতীয় কোম্পানিটি বিনিয়োগ করতে চাইলে বিডা সহজেই তাদের অনুমতি দেয়। তবে গেমিং সেক্টরে ডেভেলপমেন্টের কথা বলে অনলাইন জুয়ার কোনও খেলা তারা চালু করবে তা বুঝতে পারেনি বিডা।

একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিদেশি বিনিয়োগ সবসময় উৎসাহিত করা হয়। সবাই সব নিয়ম-কানুন মেনেই বিনিয়োগ করেন। তারা বিনিয়োগ করে লাভ নিবেন—এটাই স্বাভাবিক। তবে কোনভাবেই দেশের আইনে অনুমতি দেয় না, এমন বিনিয়োগ কেউ চায় না।

ওই কর্মকর্তা জানান, উল্কা গেমস একটি বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে আসে। ডিজিটাল বা অনলাইন গেম ডেভেলপমেন্টের বিনিয়োগকে বিডা স্বাগত জানায়। তবে তারা যে এভাবে জুয়া খেলবে, তা বিডার জানা ছিল না।

তিনি আরও জানান, বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিমাসে একটি প্রতিবেদন দেওয়ার কথা। কিন্তু উল্কা গেম নিয়মিত কোনও প্রতিবেদন দেয়নি। তাদেরকে বার বার বলার পরও তারা কোনও প্রতিবেদন দেয়নি। তারা গেম ডেভেলপমেন্টের কথা বলে বিডা থেকে অনুমতি নিয়েছে। ডেভেলপমেন্টের তারা কী করছে তা বিডাকে জানায়নি, তারা কেবল ভারতের ‘তিন পাত্তি গোল্ড’ গেম বাংলাদেশে শিফট করেছে।

নিবন্ধন নেওয়ার সময়ে উল্কা ‘তিন পাত্তি গোল্ডের’ বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই জানায়নি বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘তারা বিনিয়োগের কথা বলে কার্ডের কী গেম ছড়িয়ে দিবে তাতো আমাদের বলেনি।’

মাত্র সোয়া কোটি টাকা বিনিয়োগ করে প্রায় পৌনে ২০০ কোটি টাকা মাত্র তিন বছরে নিয়ে গেছে। ব্যাংকিং চ্যানেল ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে আরও টাকা সরানো হয়েছে কিনা তা তদন্ত শুরু হয়েছে। বিষয়টি সরকারের নজরে আসার পর বাংলাদেশের উল্কা গেম কোম্পানিটিকে সম্প্রতি একটি চিঠি দিয়েছে বিডা। সেখানে কোম্পানির সকল তথ্য চাওয়া হয়েছে।

বিডার ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল শাহ মোহাম্মদ মাহবুব বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে উল্কার কাছে তথ্য চেয়েছি। তারা কোন খাতে কী বিনিয়োগ করেছে, তা তাদের জানাতে হবে।’

উল্কার বক্তব্য

উল্কা গেমসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জামিলুর রশীদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা লুডু, তিন পাত্তিসহ বেশ কিছু গেম তৈরি করেছি। মানুষ চাইলে এগুলো বিনা টাকায় খেলতে পারেন, আবার টাকার বিনিময়েও খেলতে পারেন। অন্যভাবে কেউ জুয়া খেললে সেখানে আমাদের কিছু করার নেই।’

তবে অনেকেই আমাদের গেমগুলোর মতো একই রকমের নাম দিয়ে বিভিন্ন গেম বানিয়ে অনলাইনে জুয়া চালাচ্ছেন। এসবের সঙ্গে আমাদের কোম্পানির কোনও সম্পর্ক নেই। সকল আইন-কানুন দেখেই এই গেমের অনুমতি নেওয়া হয়েছে।

জামিলুর রশীদ বলেন, গত তিন বছরে আমরা যা আয় করেছি—কোম্পানির শর্ত অনুযায়ী আয়ের একটা অংশ বিনিয়োগকারী মাদার কোম্পানিতে পাঠানো হয়েছে। এখানে সব মূলধনই তাদের। 

উল্কা গেমস বর্তমানে দেশের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল গেম ডেভেলপমেন্ট স্টুডিও। লুডো ক্লাব, তিন পাত্তি, টাইনি ক্রিকেট, বল জাম্প, ষোলো গুটি, কার্ড ক্লাব, স্নেক অ্যান্ড ল্যাডারের মতো গেম রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক মুনফ্রগ ও উল্কাকে সুইডিশ একটি কোম্পানি কিনে নিয়েছে।

বিনিয়োগের অনুমতি দিলেও যথাযথ নজরদারি না করায় গেম বানানোর কথা বলে অনলাইন জুয়া চালানোর সুযোগ পেয়েছে কোম্পানিটি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিনিয়োগের নামে দেশে এসে কোম্পানিগুলো কী করছে, তার নজরদারি করতে হবে। নাহলে দেশ যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি দেশের তরুণরাও এসব জুয়া খেলায় আসক্ত হয়ে পড়বে।

 

 

/এমএস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
পশ্চিমবঙ্গে যেকারণে তৃণমূলের ‘অপ্রত্যাশিত রক্ষাকর্তা’ খোদ বিজেপি
কী, কেন, কীভাবেপশ্চিমবঙ্গে যেকারণে তৃণমূলের ‘অপ্রত্যাশিত রক্ষাকর্তা’ খোদ বিজেপি
বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে নেওয়া যাবে না পানির বোতল
বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে নেওয়া যাবে না পানির বোতল
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম