মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের জানমাল ও তাদের শান্তি-শৃঙ্খলার ওপর যতই আঘাত এসেছে বাংলাদেশ পুলিশ তাদের জীবন দিয়ে তা প্রতিহত করেছে। আমি মনে করি বর্তমানে প্রেক্ষাপটে এটি একটি বিরল ঘটনা। বিশ্বের কোনও দেশের কোন পুলিশ বাহিনীর এত সদস্য সেদেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে গিয়ে এমন আত্মত্যাগ করেছে এরকম নজির আছে কিনা আমার জানা নেই। এ জন্য আমি বাংলাদেশ পুলিশকে স্যালুট জানাই।
‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে পুলিশ আছে জনতার পাশে’ এ প্রতিপাদ্যে পুলিশ সপ্তাহ – ২০২৩ এর শেষ দিনে রবিবার (৮ জানুয়ারি) রাজারবাগের বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আপনাদের ওপর আস্থা রাখেন। বাংলাদেশের মানুষ আপনাদের ওপর আস্থা রাখে। সাম্প্রতিককালে যতগুলো চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে আপনারা সেগুলোর প্রত্যেকটির রহস্য উদঘাটন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী একটা লক্ষ্য স্থির করেছিলেন ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে সুখী-সমৃদ্ধ একটি রাষ্ট্রে পরিণত করা। সম্প্রতি তিনি সেই লক্ষ্যকে আরও পরিষ্কার করেছেন যে, ২০৪১ নাগাদ বাংলাদেশ হবে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ। আমি আজকে এখানে এসে খুবই আশান্বিত হয়েছি যে, আমি আপনাদের মুখে সেই স্মার্ট বাংলাদেশের কথা শুনতে পেয়েছি।
আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, তোমরা জনগণের পুলিশ হবে। জনগণের সেবক হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই জনগণের পুলিশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সালের মধ্যে যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার নির্দেশনা দিয়েছে সেই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যে কার্যক্রম তা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ পুলিশ একযোগে কাজ করছে।
মতবিনিময় সভায় পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান, সকল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপার উপস্থিত ছিলেন।









