‘পড়ো বই গড়ো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শুরু হয়ে অমর একুশে বইমেলা-২০২৩। বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেলা উদ্বোধন করেন। পরে সাড়ে ৫টার দিকে দর্শনার্থী-পাঠকদের জন্য খুলে দেওয়া হয় মেলা প্রাঙ্গণ। মেলার প্রথমদিন স্বাভাবিক কারণেই দর্শনার্থীদের উপস্থিতি কম ছিল, আর বিক্রিও হাতে গোনা কয়েকটি।
মেলায় ঘুরে দেখা যায়, কিছু স্টলে দু-একজন বই উলটিয়ে দেখছেন, কেউ কিনছেন। কিন্তু বেশিরভাগই দেখে রেখে যাচ্ছেন। মেলার প্রথম দিন বলে বিক্রিতে নেই চাপ, তাই স্টল গোছাতে ব্যস্ত ছিলেন বিক্রয়কর্মীরা। কোন বই কোন জায়গায় রাখবেন, দর্শনার্থীদের প্রদর্শনের জন্য কোনও বই কীভাবে সাজাবেন সেদিকেই নজর তাদের। মালিকপক্ষ ও প্রকাশনার লোকজন দাঁড়িয়ে থেকে তদারকির পাশাপাশি দিচ্ছেন নির্দেশনা।
মেলার প্রথমদিনে দর্শক আগের বছরগুলোর তুলনায় ভালো বলছেন তারা। বই বিক্রি একবার আগের করোনাকালীন দুটি বছরের তুলনায় বাড়তে পারে বলে তাদের বিশ্বাস। বিক্রিয়কর্মীরা মনে করেন, বইয়ের দাম বাড়ার কারণে বিক্রিতে কিছুটা টান লাগতে পারে। কিন্তু খুব একটা কমবে না। কেননা পাঠকের কাছে বই পড়ার আনন্দের চাইতে আর বড় কিছু নেই।
অনন্যা প্রকাশের বিক্রয়কর্মী আসাদুজ্জামান জামান তৌফিক বলেন, ‘মেলার প্রথমদিন পাঠক-দর্শক ভালোই আগের বছরগুলোর তুলনায়। আজকে প্রথমদিন দর্শক চাপ কম, ক্রেতা কম, আর তাই এই সময়টায় স্টলে বই গোছাতে ব্যস্ত সময় করছি। দু-এক ক্রেতা এলে তাদের সাথে কথা বলছি।’
অনিন্দ্য প্রকাশের বিক্রয়কর্মী নাহিদ হাসনান বলেন, ‘আজ প্রথমদিন তেমন একটা বই বিক্রি হচ্ছে না। কিন্তু বই গোছানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছি। আজ গুছিয়ে কালকে থেকে ক্রেতার অপেক্ষা। এবার দাম বাড়ার কারণে বই বিক্রি কিছুটা হয়তো কমতে পারে, কিন্তু শিওর করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে কমলেও খুব একটা কমবে না। কারণ যে পাঠক তার কাছে বই খাদ্যের মতো অপরিহার্য।’









