‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ এবং ‘আমার দেখা নয়াচীন’ এই তিনটি আত্মস্মৃতিমূলক বইয়ের জন্য সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশেষ সার্ক সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এ উপলক্ষে রবিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ফেডারেশন অফ সার্ক রাইটার্স অ্যান্ড লিটারেচার, বাংলাদেশ চ্যাপটার এক সভার আয়োজন করে।
সভায় লেখক, গবেষক, প্রকাশক ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নতুন নতুন মাত্রায় আমরা খুঁজে পাচ্ছি। কিন্তু সাহিত্যিক হিসাবে বঙ্গবন্ধুর মূল্যায়ন অসমাপ্ত রয়ে গেছে। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বঙ্গবন্ধুকে সাহিত্যিক পরিচিতিটা তুলে ধরা।
রাজনীতিবিদ ও তরুণ প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর তিনটি বই পড়ার পরামর্শ দিয়ে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার বলেন, বঙ্গবন্ধুর তিনটি বই থেকে প্রত্যেক রাজনীতিবিদদের অনেক কিছু শেখার আছে। প্রত্যেক রাজনীতিবিদ ও তরুণদের বইটি পড়া উচিত।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, বঙ্গবন্ধুকে আমরা সাহিত্যিক হিসেবে ভাবতে পারি নাই। কিন্তু অন্যরা ঠিকই ভেবেছে এবং পুরস্কৃতও করেছে। এটা আমাদের জন্য সত্যি দুর্ভাগ্যজনক। বঙ্গবন্ধুকে এখনও বিভিন্ন দিক থেকে আবিষ্কার করা বাকি রয়ে গেছে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কথা সাহিত্যিক মোহিত কামাল।
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ফাউন্ডেশন অব সার্ক রাইটার্স অ্যান্ড লিটারেচার সম্মেলনে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ মার্চ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ এবং ‘আমার দেখা নয়াচীন’ এই তিনটি বইয়ের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশেষ সার্ক সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এই প্রথম কোনও প্রয়াত লেখককে সংগঠনের পক্ষ থেকে এমন পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়। সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের পক্ষে রামেন্দু মজুমদার ও মফিদুল হক এই পুরস্কার ও সনদ গ্রহণ করেন। দেশে ফেরার পর গত ২ এপ্রিল তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে পুরস্কার তুলে দেন।








