রাজধানীর জুরাইনে গ্যাসের আগুনে দগ্ধ মা-বাবার মৃত্যুর পর তাদের মেয়ে আফসানাও (৫) মারা গেছে। বুধবার (২৩ আগস্ট) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম জানান, আফসানার শরীরের ২৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এর আগে (১৭ আগস্ট) একই দিনে আফসানার মা মুক্তা খাতুন ও বাবা আতাহার আলী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। একই ঘটনায় মুক্তা খাতুনের বাবা আলতাফ সিকদার ও তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
গত ১৪ আগস্ট দিবাগত রাত ২টার দিকে জুরাইন মাদবর বাজার সলিমুল্লাহ রোডে মান্নান মাস্টারের বাড়িতে ভাড়া থাকা পরিবারটির বাসায় তিতাস লাইনের গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ হয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচ জন দগ্ধ হন।
দগ্ধ আলতাফ সিকদারের শ্যালক মো. মাহাবুব জানান, জুরাইন মাদবর বাজার সলিমুল্লাহ রোডের মান্নান মাস্টারের চতুর্থ তলা বাড়ির নিচ তলায় ভাড়া থাকেন বোনের পরিবার। ওই বাসায় ঘটনাটি ঘটার সপ্তাহ আগে ভাগনী মুক্তা বেগম তার সন্তান আফসানাকে নিয়ে বেড়াতে যান তার বাবা আলতাফ সিকদারের বাসায়। দুদিন আগে মুক্তার স্বামীও ওই বাসায় বেড়াতে যান। পরে রাতে চুলা ধরাতে গিয়ে বিস্ফোরণে রুমে আগুন লেগে যায়।
এ সময় মুক্তা, তার বাবা-মা ও তার স্বামী-সন্তানসহ পাঁচ জন দগ্ধ হয়। তাদের মধ্যে তার বাবা-মা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। কিন্তু মুক্তা, তার স্বামী ও মেয়ে মারা গেছেন।
তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলায়।








