সার দেশে ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হলো আজ বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল)। পরিবারেব সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কর্মজীবি মানুষের অনেকেই রাজধানী ছেড়ে ফিরেছেন গ্রামে। এ কারণে রাজধানীর প্রধান সড়কসহ অলিগলিতে আগের সেই অসহনীয় যানজট নেই। চিরচেনা সেই যানজটের নগরী এখন এক নীরব শহর! রাজধানীর সড়কগুলোতে নেই জটলা, নেই গাড়ির হর্ন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। তবে সড়কে বেশি যানবাহন না থাকলেও রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার উপস্থিতি রয়েছে।
ঈদের বিকালে শিশুদের নিয়ে ঘুরতে বের হন মিজারনুর রহমান। তিনি বলেন, ‘ঈদে সব সময় ঢাকা ফাঁকা থাকে। খুব দ্রুত সময়ে যেকোনও জায়গায় যাওয়া যায়। বিকালের সময়টায় শিশুদের নিয়ে শহর ঘুরে দেখানোর জন্য বের হয়েছি।’
ঈদের দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার ও সাময়িক জাদুঘরসহ কয়েকটি স্থাপনা বন্ধ থাকা ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে। অনেকে আবার উন্মুক্ত স্থানেই সময় কাটান। সোহানা আক্তার নামে তরুণী বলেন, ‘ঈদের ঢাকা ফাঁকা থাকায় বান্ধবী ও আত্মীয়দের বাসায় যেতে পারি খুব দ্রুত সময়ে। এমন ঢাকা আমরা ঈদ ছাড়া কখনও দেখি না।’
ইসমাইল আদর বলেন, ‘মোটারসাইকেল নিয়ে ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার যেতে সময় লাগছে মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট। যামজট না থাকলে শব্দ ও বায়ুদুষণ রোধ পায়।’
সকাল থেকে সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ বাইরে বের হওয়ায় কিছুটা চাপ বাড়ে।
বিজর সরণি, কারওয়ান বাজার ও ধানমন্ডি এলাকায় বেশিরভাগ সড়কে রিকশা ও ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়।








