ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নগরবাসীর নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চুরি প্রতিরোধে পুলিশ কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে গত মে ও জুন মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি এ নির্দেশনা দেন কমিশনার।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নাগরিক সেবার পাশাপাশি চুরি প্রতিরোধে এলাকার নৈশ প্রহরী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। রাতে টহল ডিউটিতে থাকা পুলিশ সদস্যদের নৈশপ্রহরীদের নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন করতে হবে। যে সকল চুরির ঘটনা ঘটেছে সেগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উদঘাটন করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। যেসব বাসা-বাড়িতে সিসি ক্যামেরা আছে সেগুলো সচল রাখার জন্য বাড়ির মালিকদের জানাতে হবে। মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তির হার বৃদ্ধি, মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি ও অপমৃত্যু মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন ডিএমপি কমিশনার।
মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় গত মে ও জুন মাসে ডিএমপির সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি যেমন- ডাকাতি, দস্যুতা, চুরি, সিঁধেল চুরি, খুন, অপমৃত্যু, সড়ক দুর্ঘটনা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, মাদকদ্রব্য ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ইত্যাদি মামলা সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) লিটন কুমার সাহার সঞ্চালনায় মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় অতিরিক্ত আইজিপি (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন, রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) মো. শাহ আলম, পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) মহা. আশরাফুজ্জামান, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান, অতিরিক্ত কমিশনার (সিটিটিসি) মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, যুগ্ম কমিশনার, উপ-কমিশনার ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।









