পাদুকা শিল্পকে ‘জাতীয় শিল্প’ ঘোষণা দিয়ে এই শিল্পের জন্য আলাদা শিল্পনগরী স্থাপন করার দাবি জানিয়েছে বিপ্লবী পাদুকা শিল্প শ্রমিক সংহতি। একইসঙ্গে পাদুকা শিল্পের বিকাশে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা ও অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচার সংহতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানায় সংগঠনটি। এসময় সংগঠনটির নেতারা পাদুকা শিল্পরক্ষায় আট দফা দাবি উত্থাপন করেন। সংবাদ সম্মেলনে ৮ দফা বাস্তবায়নে আগামী ৯ নভেম্বর বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশে কর্মসূচি ঘোষণা করে বিপ্লবী পাদুকা শিল্প শ্রমিক সংহতি।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সাইফুল হক বলেন, ‘উপযুক্ত নীতি, পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ না থাকায় এই বছরও কোরবানির পশুর লাখ লাখ চামড়া নষ্ট হয়েছে। চামড়া নিয়ে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। উপযুক্ত নীতি ও পদক্ষেপ থাকলে চামড়া ও চামড়াজাত বহুমুখী পণ্য রফতানি করে জাতীয় প্রবৃদ্ধি ও জাতীয় আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব।’
সংগঠনের নেতারা বলেন, ‘করোনায় এই শিল্পও মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। মহামারীতে লকডাউনের কারণে ইতোমধ্যে অসংখ্য কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে পুঁজির সংকট। কয়েক লাখ পাদুকা শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে; তাদেরকে খেয়ে না খেয়ে দিন পার করতে হচ্ছে। অনেক শ্রমিক পরিবারে বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাদুকা শিল্পে এখনও শ্রমিকদের বাঁচার মতো ন্যায্য মুজরি নেই; নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র নেই; নেই নিরাপদ ও উপযুক্ত কর্মপরিবেশ।’
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি আংগুর মিয়া, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, মো. রিয়েল, সংগঠনের উপদেষ্টা বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খানসহ আরও অনেকে।








