গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীতে যারা বিভিন্ন কাজে ঢুকছেন তাদের অনেককেই আমিনবাজার থেকে গাবতলী পর্যন্ত হেঁটে আসতে হচ্ছে। সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়ছেন রোগী এবং বয়স্করা। আমিনবাজার থেকে হেঁটে গাবতলী পর্যন্ত আসলেও দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে রিকশা কিংবা সিএনজিতে উঠতে হচ্ছে।
রবিবার (২৭ জুন) রাজধানীর গাবতলী এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীতে যারা ঢুকছেন তাদের বেশিরভাগকেই হেঁটে আসতে হচ্ছে। এ সময় অনেকেই ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, সরকার যদি কোনও কিছু পরিকল্পনামাফিক করতো তাহলে আমাদের এ ধরণের ভোগান্তিতে পড়তে হতো না।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক কর্মকর্তা আমিনবাজার থেকে লকডাউনের মধ্যে প্রতিদিন রাজধানীতে এসে অফিস করছেন। আমিনবাজার থেকে হেঁটে তাকে গাবতলী পর্যন্ত আসতে হচ্ছে।
সাভার থেকে গুলিস্তান বা কাপ্তান বাজারে পাইকারি মালামাল কেনার জন্য যাচ্ছিলেন হাফিজ। তিনি বলেন, আমিনবাজার থেকে আমাদের নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাধ্য হয়েই হেঁটে গাবতলী পর্যন্ত আসতে হয়েছে।
অপরদিকে, যারা রাজধানী ছেড়ে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন তাদের অনেকেই গাবতলী এসে কোন কিছু না পেয়ে হেঁটেই সামনের দিকে এগোচ্ছেন। আর যারা আগে থেকেই প্রাইভেটকার কিংবা মাইক্রোবাস ভাড়া করে রেখেছিলেন তাদের জন্য যাতায়াত কিছুটা সহজ হয়েছে।
মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের গাবতলী জোনের সিনিয়র এসি ইত্তেখাইরুল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক দূরপাল্লার পরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া যারা প্রাইভেটকার কিংবা মাইক্রোবাস যোগে রাজধানী থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের দিকে যাচ্ছে তাদের থামিয়ে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করছে কিনা সে বিষয়টিও আমরা নজরদারিতে রেখেছি।







