রাজধানীর মহাখালী এলাকায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তা মামুন মিয়া খুনের মামলায় প্রেমিকা বিউটি আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই তারেক হাসান রবিবার (১২ জুলাই) আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মামুনকে ছুরিকাঘাতে খুনের ঘটনায় চাচা শমসের আলী মামলাটি করেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, এক বছর আগে মামুনের সঙ্গে বিউটির আক্তারের ননদের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। পরে তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং প্রায় তাদের দেখা হতো। তবে বিষয়টি জানতো না মামুনের পরিবার। শুক্রবার চিকিৎসার কথা বলে বিউটি ঢাকায় আসেন। মহখালীর টিবি গেট এলাকায় একটি রুম ভাড়া নেন।
মামুনকে সেখানে আসতে বলেন দেখা করার জন্য। শনিবার বেলা ১১টার দিকে মামুন সেখানে যান। বিয়ে করার জন্য বিউটি তাকে চাপ দেন। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে বিউটি দুপুর দেড়টার দিকে ছুরি দিয়ে মামুনের গোপনাঙ্গে আঘাত করে জখম করেন। একই সঙ্গে পেটেও ছুরিকাঘাত করেন। মামুনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭টার দিকে মারা যান মামুন।
মামুন সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়েতে সেকেন্ড ক্লাস কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছিলেন। তিনি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মালিয়াটি গ্রামের বাবুল আহমেদের ছেলে।









