‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫’ (সংশোধিত-২০১০) এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা বাস্তবায়নে পরিবেশ অধিদফতর সারা দেশে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) এ অভিযান চালানো হয়।
চাঁদপুর, পিরোজপুর, মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা এবং ঢাকার দারুস সালাম ও চকবাজার এলাকায় নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন, বিক্রি, সরবরাহ ও বাজারজাত করার অপরাধে ছয়টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় ৯টি মামলায় ২ লাখ ৬৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং ১ হাজার ২৪৫ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি পলিথিন কারখানা বন্ধ করে সিলগালা করা হয়। অভিযানে কয়েকটি বাজার, সুপারশপ ও দোকানে সতর্কতামূলক বার্তা প্রদান ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুসারে সিরাজগঞ্জ, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর ও টাঙ্গাইলে ছয়টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় ২১টি মামলায় ২৩ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং ৩৪টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়েছে। একইসঙ্গে কয়েক জন গাড়িচালককে সতর্ক করা হয়।
বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২২ অনুযায়ী নির্মাণ সামগ্রী, পুরাতন ব্যাটারি থেকে সিসা নিঃসরণ ও টায়ার পাইরোলাইসিস কারখানার বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সাভার ও ঢাকার শ্যামলীতে তিনটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এ সময় দুটি মামলায় ১ লাখ ৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে সতর্ক করা হয় এবং নির্মাণ সামগ্রী তাৎক্ষণিকভাবে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও সাভারে বায়ুদূষণকারী ও অবৈধ পাঁচটি কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও ঢাকার মিরপুর এলাকায় অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান চালিয়ে পাঁচটি কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পরিবেশ অধিদফতর জানিয়েছে, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় দূষণবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।








