ইউরোপীয় শহরের আদলে সাজবে খাগড়াছড়ি পৌরসভা: রফিকুল আলম

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
৩১ জানুয়ারি ২০১৬, ০৮:২৮আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০১৬, ০৮:৩৮
image

খাগড়াছড়ির নবনির্বাচিত মেয়র রফিফুল ইসলাম

১৯৮৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর গ শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে ১৩.০৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করে খাগড়াছড়ি পৌরসভা। এ পৌরসভা ১৯৯৪ সালের ১ জুলাই খ শ্রেণিতে এবং পরবর্তীতে ২০০৫ সালের ১৮ এপ্রিল ক শ্রেণিতে উন্নীত হয়। বর্তমানে ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পৌরসভাটির লোকসংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার।

৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫ এর পৌরসভা নির্বাচনে দেশের প্রধান দুইটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের হারিয়ে ৯৪১৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো খাগড়াছড়ির পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রফিকুল আলম। স্থানীয় জনমত অনুযায়ী বিগত পাঁচ বছরে (২০১১-২০১৫) খাগড়াছড়ি শহরের সার্বিক উন্নয়ন ও শান্তি স্থাপনে উল্লেখজনক ভূমিকা পালন করেন তিনি। এবার ২০১৬-২০২০ সময়সীমার জন্য আবারও মেয়র পদে নির্বাচিত হওয়ার পর এক সংবর্ধনাসভায় তাকে ‘পৌরবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন নগরবাসী।

সম্প্রতি পৌরবাসীর উন্নয়ন, মঙ্গল, সমৃদ্ধি ও শান্তি স্থাপনে করণীয় সম্পর্কে মেয়র মো. রফিকুল আলম বাংলা ট্রিবিউনের মুখোমুখি হয়েছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জসিম উদ্দিন মজুমদার

বাংলা ট্রিবিউন: দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন। কেমন লাগছে?

রফিকুল আলম: পৌরবাসীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। দ্বিতীয়বারের মতো তাদের সেবা করার জন্য আমাকে তারা নির্বাচিত করেছেন। পৌরবাসী বড় দু’টি রাজনৈতিক দলের বাইরে এসে আমাকে নির্বাচিত করেছেন। এ মুহূর্তে সেবার দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তা বাস্তবায়িত করাও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মেয়র রফিকুল ইসলাম

বাংলা ট্রিবিউন: উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নকে চ্যালেঞ্জ বলে কেন মনে করছেন?

রফিকুল আলম: আপনারা জানেন পরস্পর বিপরীত আদর্শে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগ-বিএনপি-ইউপিডিএফ বিগত পৌর নির্বাচনে একজোট হয়েছিল শুধু আমাকে হারানোর জন্য। কিন্তু, যৌথভাবে চেষ্টার পরও তা করতে না পেরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে তারা, হয়রানি করতে চাইছে। একারণেই বিষয়গুলো চ্যালেঞ্জিং।

বাংলা ট্রিবিউন: পৌরসভার উন্নয়নে সার্বিক কী কী পদক্ষেপ নিয়েছেন?

রফিকুল আলম: ইতোমধ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মশকনিধন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শহরের সৌন্দর্যবর্ধন, মা ও শিশুসহ সর্বস্তরের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিককরণ, ধর্মীয় ও সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পৌরসেবা দেওয়া, নারীসহ দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে কর্মদ্যোগী করা, ভূমিহীন বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা নারীদের জন্য আবাসন প্রকল্প, বেকার তরুণ-তরুণীদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প, বিশুদ্ধ পানীয়-জলের ব্যবস্থা করা, দুর্যোগকালীন জরুরি ত্রাণ সরবরাহ করাসহ আরও অসংখ্য প্রকল্প বাস্তবায়িত এবং বাস্তবায়নাধীন।

খাগড়াছড়ি পৌরসভাকে একটি আধুনিক পর্যটন শহর হিসেবে ইউরোপীয় শহরগুলোর আদলে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

‘প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর দেখেছি পৌরসভার নিজস্ব আয়ের কোনও ব্যবস্থা নেই। তখন আয় বাড়ানোর কিছু প্রকল্প হাতে নেই। পর্যায়ক্রমে পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে যাত্রীছাউনি তৈরির পাশাপাশি বিপণন প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছি। পৌর এলাকায় তিনতলা মার্কেট করেছি। একটি ছয়তলা সুপার মার্কেট নির্মাণাধীন। কফি হাউজ তৈরি করিয়েছি একটি। এসবের আয় দিয়ে স্টাফদের বেতনভাতা দেওয়ার কাজ চলছে।’

বাংলা ট্রিবিউন: পাহাড়ি জনপদে নতুন সড়ক নির্মাণ ও জলাবদ্ধতা দূর করাসহ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকল্পে কী কী পদক্ষেপ নিয়েছেন বা নিতে যাচ্ছেন।

রফিকুল আলম: ২০১১ সালে পৌরবাসী আমাকে প্রথমবারের মতো মেয়র পদে নির্বাচিত করেছিলেন। নির্বাচিত হওয়ার পর এ পৌর এলাকায় বসবাসরত জনসাধারণের জীবনমানের উন্নয়ন, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পানি ও স্যানিটেশনের উন্নয়ন, পরিকল্পিত ও আধুনিক পর্যটনমুখী মডেল শহরে রূপান্তর করতে নিরলস পরিশ্রম করেছি। বিগত পাঁচ বছরে পৌর এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি প্রায় ১০০ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি।

নতুন সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি পুরনো সড়কের সংস্কার ও প্রশস্তকরণ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে ও কাজ চলছে যেসব স্থানে সেগুলো হলো খবংপুড়িয়া, মহাজন পাড়া, শান্তিনগর, আরামবাগ, মুসলিম পাড়া, রুখই চৌধুরী পাড়া, গোলাবাড়ি, মহিলা কলেজ, নয়নপুর, পানখাইয়া পাড়া, আনন্দনগর, অনন্ত মাষ্টার পাড়া-সবুজবাগ, কুমিল্লাটিলা।

এছাড়াও আছে মনপুরা আবাসিক এলাকা, শহীদ কাদের, এপি ব্যাটালিয়ন,  পিডিবি, হাসপাতাল, নয়নপুর, আনসার ক্যাম্প, ইসলামপুর, খাগড়াপুর, রসুলপুর, শালবন কালি মন্দির, এডিসি হিল, মোহাম্মদপুর, রূপনগর, মাস্টার পাড়া, শব্দমিয়া পাড়া, সিঙ্গি নালা মৈত্রী সড়ক, তালুকদারপাড়া, কলেজ পাড়া, মোল্লা পাড়া প্রভৃতি।

খাগড়াছড়ি

রাস্তা নির্মাণের কাজে পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ারিং শাখাসহ পৌর কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতা রয়েছে। সকল কাজে শতভাগ মনিটরিং করা হয়। গুণগত মান যাচাই করা হয়।

এছাড়া শহরে বর্ষাকালে জলবদ্ধতা দূর করা ও সুষ্ঠু পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকল্পে চেঙ্গী স্কয়ার থেকে উপজেলা পর্যন্ত, কলেজ গেট থেকে মোহাম্মদপুর-সবুজবাগ, শাপলা চত্বর থেকে ভাঙ্গা ব্রিজ ও মহাজন পাড়া এলাকায় ড্রেন নির্মাণ করেছি।

এছাড়া শহরে কমিউনিটি সেন্টার ও শেল্টার হাউজ স্থাপন, সবুজবাগ এলাকায় কবরস্থান তৈরি, শালবন কবরস্থান সংলগ্ন মসজিদের ঈদগাহ মাঠের উন্নয়ন, মধ্য শালবন মসজিদের ঈদগাহ মাঠ সংস্কার, মধ্য শালবন ‘গ্যাপে’ সিঁড়ি তৈরি, বটতলী এলাকায় বেইলি ব্রিজ পুনঃ স্থাপন, চেঙ্গীপাড়ে স্লটার হাউজ নির্মাণ করেছি।

বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও ক্লাবে সংস্কারকাজ করেছি, প্রয়োজনে আর্থিক অনুদান দিয়েছি। পৌরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের জন্য হেলথ ডেস্ক খুলেছি। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পৌরসভার সকল কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করেছি।

বাংলা ট্রিবিউন: নগরে যানজট নিরসনে কেমন পদক্ষেপ নেবেন?

রফিকুল আলম: নগর যানজটমুক্ত রাখতে ইতোমধ্যে শহরের কেন্দ্রস্থলের বাজার চেংগী নদীর পারে স্থানান্তর করেছি। এছাড়া বাস-মিনি বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের জন্য পৃথক-পৃথক স্ট্যান্ড নির্মাণ করেছি। চলাচলের পথে যাত্রীদের বিশ্রাম নেওয়ার জন্য শহরের বিভিন্ন স্থানে পাঁচটি যাত্রী ছাউনি তৈরি করেছি। সেখাসে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও রয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন: শিক্ষা বিস্তারে কী পদক্ষেপ নিয়েছেন বা নিতে যাচ্ছেন।

রফিকুল আলম: শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতির জন্য শান্তিনগর সংলগ্ন এলাকায় খাগড়াছড়ি মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছি। শহরের এপি ব্যাটালিয়ন, পানখাইয়াপাড়া ও কুমিল্লা টিলা হাইস্কুলে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সরবরাহ করেছি। বেকার তরুণ-তরুণীদের জন্য কম্পিউটার ও সেলাই প্রশিক্ষণ, বিনামূল্যে কম্পিউটার ও সেলাই মেশিন বিতরণ করেছি।

বাংলা টিব্রিউন: ভবিষ্যত পরিকল্পনাগুলো কী কী?

রফিকুল আলম: ভবিষ্যত পরিকল্পনা হচ্ছে পৌরবাসীর শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারসহ সর্বক্ষেত্রে জনকল্যাণমুখিতা অব্যাহত রাখা, পরিকল্পিত যানজটমুক্ত পরিচ্ছন্ন ও পর্যটনমুখী আধুনিক শহর হিসেবে খাগড়াছড়ি সদরকে গড়ে তোলা, পৌরশহরের সব স্তরে দুর্নীতি বন্ধ করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।

এছাড়া শিক্ষা-সংস্কৃতি-খেলাধুলার মান উন্নয়নের মাধ্যমে সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন, পৌর সালিশী ব্যবস্থা সক্রীয় ও গতিশীল করতে বিরোধগুলোর প্রয়োজনীয় নিষ্পত্তি সাধন, শহরকে মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত রাখা। শহরের সৌন্দর্য বাড়ানোর আরও  কিছু সড়কের কাজ এখনও বাকি। এতিম-দুঃস্থ-অসহায় ও আশ্রয়হীন পরিবারের জন্য শহরের কুমিল্লা টিলা এলাকায় চলমান আশ্রয় প্রকল্পসহ প্রায় ২০০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। এসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা আমার দায়িত্ব হিসেবে দেখছি।

আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছি। মেয়র হিসেবে গত পাঁচ বছর ধরে কাজ করে আসছি। এ সময়ের মধ্যে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডগুলোকে ঘিরে সরকারি বা দলীয় কোনও ভূঁইফোঁড় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিশৃঙ্খলা তৈরির সুযোগ পায়নি, ভবিষ্যতেও পাবে না।

বাংলা টিব্রিউন: সরকারের বরাদ্দকৃত অর্থের বিষয়ে বলুন।

রফিকুল আলম: প্রতিটি পৌরসভার জন্য প্রতি অর্থবছরে বরাদ্দ আসে মাত্র ৪০-৫০ লাখ টাকা যা একেবারেই অপর্যাপ্ত। আপনারা জানেন পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাসিক বেতনই দিতে হয় প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। বাকি টাকা দিয়ে ইচ্ছা থাকলেও সব সমস্যার সমাধান করা যায় না।

বাংলা ট্রিবিউন: পৌরসভার উন্নয়ন কাজের দরপত্র নিয়ে দলীয় সমর্থনপুষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বচসা, প্রভাব খাটানোর লড়াই দেখা যায়। এ বিষয়ে আপনি কেমন পদক্ষেপ নেবেন?

রফিকুল আলম: আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছি। মেয়র হিসেবে গত পাঁচ বছর ধরে কাজ করে আসছি। এ সময়ের মধ্যে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডগুলোকে ঘিরে সরকারি বা দলীয় কোনও ভূঁইফোঁড় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিশৃঙ্খলা তৈরির সুযোগ পায়নি, ভবিষ্যতেও পাবে না।

আপনার জানেন, পৌরসভার উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প রয়েছে। যেমন Climate Change, SHEWA-B, UGIIP-111, ADP, IUIDP & BMDF। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা অতীতেও পৌরসভার সর্বস্তরে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছি, ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখবো।

বাংলা টিব্রিউন: পৌর আয়ের কোন কোন উৎস থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেওয়া হচ্ছে?

রফিকুল আলম: প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর দেখেছি পৌরসভার নিজস্ব আয়ের কোনও ব্যবস্থা নেই। তখন আয় বাড়ানোর কিছু প্রকল্প হাতে নেই। পর্যায়ক্রমে পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে যাত্রীছাউনি তৈরির পাশাপাশি বিপণন প্রতিষ্ঠান তৈরি করি। পৌর এলাকায় তিনতলা মার্কেট করেছি। একটি ছয়তলা সুপার মার্কেট নির্মাণাধীন। কফি হাউজ তৈরি করিয়েছি একটি। এসবের আয় দিয়ে স্টাফদের বেতনভাতা দেওয়ার কাজ চলছে।

বাংলা ট্রিবিউন: কোন কোন খাতে সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন?

রফিকুল আলম: পৌরবাসীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকল খাতেই সরকারের শতভাগ সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।

বাংলা ট্রিবিউন: স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় বিশেষ কোনও শঙ্কা আছে কি?

রফিকুল আলম: আমি কোনও ভয়ভীতির মধ্যে নেই। পৌরবাসী আমাকে পৌরবন্ধু খেতাব দিয়েছে। আমিও আমার জীবন তাদের শান্তি ও কল্যাণে উৎসর্গ করেছি।

/এইচকে/টিএন/

আপ-এসটি

সম্পর্কিত
একান্ত সাক্ষাৎকারে মাহমুদুর রহমান মান্নাসরকারকে আরও অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে এগোতে হবে
সাক্ষাৎকারে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানমধ্যপ্রাচ্যের সংকট না কাটলে রফতানি ঘুরে দাঁড়ানো অনিশ্চিত
আমার আত্মার বয়স হাজার কোটি বছর: সূচনা শেলী
সর্বশেষ খবর
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
থানায় আটকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতন: পুলিশের তদন্ত কমিটি
থানায় আটকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতন: পুলিশের তদন্ত কমিটি
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম