কুমিল্লার আমদিঘি এলাকায় নকশাবহির্ভূত কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:৫৫, এপ্রিল ২৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:০৪, এপ্রিল ২৫, ২০১৯

হাই কোর্টকুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) হাউজিং এস্টেট এলাকার আমদিঘি এলাকায় নকশাবহির্ভূত সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। কুসিক হাউজিং এস্টেট এলাকার আমদিঘির লিজ বাতিল করে ভরাট বন্ধে জারি করা রুলের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলেছেন আদালত।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পূরবী রানী শর্মা।

পরে আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া বলেন, ‘এর আগে ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর কুসিক হাউজিং এস্টেট এলাকার আমদিঘির লিজ বাতিল করে ভরাট বন্ধে রুল জারি করেছিল হাই কোর্ট। একইসঙ্গে একটি সার্ভে কমিটি করে ৯০ দিনের মধ্যে লিজ বাতিল ও ভরাট বন্ধে নেওয়া পদক্ষেপ বিষয়ে আদালতকে জানাতে বলা হয়েছিল। এছাড়াও আামদিঘিতে মাটি ভরাট বন্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও স্থানীয় থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আজ সংশ্লিষ্টরা এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন।’

ওই প্রতিবেদনে কুসিক হাউজিং এস্টেট এলাকার আমদিঘিতে অবৈধ ভরাট কার্যক্রমের সত্যতা রয়েছে। কুমিল্লার হাউজিং এস্টেটের ১৯৯২ সালের মূল নকশায় আমদিঘিসহ একাধিক দিঘি রয়েছে। তবে আমদিঘিকে খাস জমি দেখিয়ে ২০১৮ সালে ছয় ব্যক্তিকে লিজ দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর ২০১৮ সালের ১৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় ওই লিজ বাতিল করে মাটি ভরাট বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। তারপরও সংশ্লিষ্টরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, ঐতিহ্যবাহী ওই দিঘিটিকে প্লট দেখিয়ে তা ভরাট করা হচ্ছে মর্মে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিবাদীর প্রতি নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশের জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টে রিট করা হয়। ওই দিঘি এলাকার বাসিন্দা নাজমুল আলম রিটটি দায়ের করেন।

রিটে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সচিব, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ অধিদফতর, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ ১০ জনকে বিবাদী করা হয়।

 

/বিআই/এনআই/

লাইভ

টপ