দুদকে এখন তদবির বাণিজ্য নেই: ইকবাল মাহমুদ

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:৪০, অক্টোবর ১৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:০৬, অক্টোবর ১৩, ২০১৯

প্রয়াত চার কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্মরণসভায় দুদক চেয়ারম্যান

গত সাড়ে তিন বছরে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তদবির বাণিজ্য শূন্যে নামিয়ে আনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘দুদকে এখন আর তদবির বাণিজ্য নেই। কেউ তদবির করতে সাহসও পান না।’

রবিবার (১৩ অক্টোবর) দুদকের প্রয়াত চার কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্মরণসভায় এই মন্তব্য করেন দুদক চেয়ারম্যান।

রাজধানীর সেগুনবাগিচার দুদক প্রধান কার্যালয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রয়াত দুদক পরিচালক মো. আবু সাঈদ, সহকারী পরিচালক সরদার মঞ্জুর আহম্মেদ, কনস্টেবল মো. আব্দুল জলিল মণ্ডল ও কনস্টেবল মো. মজিবুর রহমানকে স্মরণ করা হয়েছে।

এসময় দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘মানুষের মৃত্যু অবধারিত, আর তা মেনে নেওয়া কঠিন। কীভাবে দুদকের এসব কর্মকর্তা সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন, আজ তা শুনছি। আসুন, আমরা সবাই তাদের মতো সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে কাজ করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘অনেকের ধারণা, দুদকে যারা চাকরি করেন তাদের অনেকের যথেষ্ট টাকা-পয়সা, গাড়ি-বাড়ি রয়েছে। কিন্ত আজ আমরা জানছি যে, আমাদের মরহুম পরিচালক আবু সাঈদ এবং সহকারী পরিচালক সরদার মঞ্জুর আহম্মদের কোনও অর্থ-বিত্ত, বাড়ি-গাড়ি নেই। উনাদের সততার কাছে অনেকের ধারণা পরাজিত হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীই সততার সঙ্গে জীবন যাপন করছেন।’

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুদকে তদবির নিয়ে অনেক কথা ছিল। সবার সহযোগিতায় গত সাড়ে তিন বছরে দুদকের তদবির বাণিজ্য শূন্যে নামিয়ে আনা হয়েছে। দুদকে এখন আর তদবির বাণিজ্য নেই। কেউ তদবির করতে সাহসও পান না।’

কর্মকর্তাদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দুদক কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব প্রশংসাযোগ্য। এখানে কর্মকর্তাদের মধ্যে কোনও বিরোধ নেই, নেই কোনও রাজনীতি।’

ইকবাল মাহমুদ আরও বলেন, ‘আজ যদি মরহুম সাঈদ কিংবা মঞ্জুরের কোটি কোটি টাকা থাকতো, তাহলেই বা কী হতো? তাহলে হয়তো তারা অন্যভাবে মূল্যায়িত হতেন। আমি বিশ্বাস করি, মানুষের প্রয়োজনের অতিরিক্তি সম্পদ তার জন্য সত্যিই বোঝা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৃত্যুর পর এই সম্পদ নিয়েই কলহের সৃষ্টি হয়।’

স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন দুদক কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম, সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত, মহাপরিচালক আ ন ম আল ফিরোজ, পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন, উপপরিচালক মো. তালেবুর রহমান ও মো. রফিকুল ইসলাম।

 

/ডিএস/এএইচ/

লাইভ

টপ