রেল দুর্ঘটনায় আহত ১১ জনকে আনা হয়েছে ঢাকায়

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:০০, নভেম্বর ১২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:২২, নভেম্বর ১২, ২০১৯





রেল দুর্ঘটনায় আহত এই তিন জনকে ঢাকায় আনা হয়েছেব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় রেল দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে কমপক্ষে ১১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল এবং জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়।

এদের মধ্যে ঢামেকে ভর্তি রয়েছেন মুন্না মিয়া (২০) ও মির্জা সাইফুদ্দিন সৈকত (২৮)। মুন্না পেশায় গ্রিল মিস্ত্রি। তিনি হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ওমর আলীর ছেলে।
মুন্নার বরাত দিয়ে চাচা মো. ফিরোজ বলেন, ‘ট্রেনে ঘুমন্ত অস্থায় ছিল মুন্না। বিকট শব্দে তার ঘুম ভাঙে। ঘুম ভেঙেই দেখে শরীরের বিভিন্ন স্থান আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। বেশ কিছুক্ষণ পর লোকজনের সহযোগিতায় কোনোরকম সেখান থেকে বের হয় সে। লোকজন তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল নিয়ে যায়। দুপুরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তার ডান পা ভেঙে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মুন্না বন্ধুদের সঙ্গে কক্সবাজার বেড়াতে যাচ্ছিল।’
এদিকে, মির্জা সাইফুদ্দিন সৈকত গত রবিবার চাকরির খোঁজে সিলেটে এক আত্মীয়ের বাসায় যান। সেখান থেকে বাড়ি আসার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। তিনি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের শহিদুল্লাহর ছেলে। স্থানীয় হাসপাতাল হয়ে বিকালে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে তাকে। তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে।
অপরদিকে, সোমা আক্তার সুমি (২১) নামে এক নারীকে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল উপজেলার গাজীপুর গ্রামের মৃত মুসলিম মিয়ার মেয়ে। তিনি চট্টগ্রাম ভাটিয়ারীতে থাকেন। গত বৃহস্পতিবার তার বাবা মারা গেলে পরিবারের ছয় সদস্যসহ তিনি শ্রীমঙ্গল যান। সেখান থেকে চট্টগ্রাম ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা। ঘটনাস্থলে তার মা জাহেদা বেগম (৪৫) মারা যান। বাকি সদস্যরা আহত হন। সবাইকে স্থানীয় হাসপাতাল হয়ে পঙ্গু হাসপাতালে আনা হয়েছে। পঙ্গুতে সবাই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে মাথায় আঘাতের কারণে সুমিকে ঢামেকে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সন্ধ্যায় আবারও পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।
জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের (পঙ্গু) সহকারী রেজিস্ট্রার ড. মনি শংকর বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে মোট ৯ জন ভর্তি আছেন। প্রত্যেকের শরীরে একাধিক আঘাত (ভাঙা) রয়েছে। তাদের দুজনকে আমরা জাতীয় হৃদরোগ ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ফের তাদের পঙ্গুতে নিয়ে আসা হয়েছে। আহতদের একজন বৃদ্ধা। তার দু’পা ভাঙা পাওয়া গেছে। তিনি আশঙ্কামুক্ত নন। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’


 

/এআরআর/এআইবি/জেএ/আইএ/

লাইভ

টপ