‘ইন্টারনেট অপব্যবহার রোধে শক্তিশালী সরকার ও দৃঢ় নীতি দরকার’

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২৩:২৫, নভেম্বর ১২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:৪৩, নভেম্বর ১২, ২০১৯





বেনজির আহমেদইন্টারনেট অপব্যবহার রোধ করার জন্য শক্তিশালী সরকার এবং দৃঢ় নীতির দরকার বলে মনে করেন র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) তিন দিনব্যাপী ঢাকা গ্লোবাল ডায়ালগের দ্বিতীয় দিনে ‘ট্রাস্ট ইন টেক: প্রিভেন্টিং মিসইউজ অফ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম’ শীর্ষক সেশনে তিনি একথা বলেন।
ইন্টারনেটে বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যে কোনও ব্যক্তি ফেসবুক বা টুইটারে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন, কিন্তু তাদের কোনও কেওয়াইসি (নো ইউর ক্লায়েন্ট) লাগে না। এটি যদি থাকতো তবে কোনও সমস্যা হলে আমরা তাদের খোঁজ পেতাম এবং গ্রেফতার করতে পারতাম।’
‘ঘৃণা বক্তব্য’র বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের আইনের ওপর ভিত্তি করে কোনটি ঘৃণা বক্তব্য আর কোনটি নয় সেটি নির্ধারণ করা উচিত।’
তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার উদ্ভবের ফলে বাধাহীনভাবে তথ্য আদান-প্রদান হচ্ছে, কিন্তু আমরা এখন দেখছি এর অপব্যবহার অনেক বেড়ে গেছে।
আদালতে ডিজিটাল প্রমাণপত্র উপস্থাপনের সম্ভাব্যতা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একটি প্রকল্প চলমান আছে যেটির মাধ্যমে অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রমাণ কোর্টে উপস্থাপন করা যাবে। তখন ডিজিটাল ছবি বা অন্য কোনও প্রমাণ যেটি পাওয়া যাবে সেটি কোর্ট গ্রহণ করবে।’
মূলধারার গণমাধ্যমগুলোর গ্রাহক কমে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মেইনস্ট্রিম (মূলধারার) মিডিয়া কেন গ্রাহক এবং বিশ্বাস হারাচ্ছে সেটি এখন তাদের তদন্ত করার সময় এসেছে।’
অনুষ্ঠানে কাজী আইটির প্রধান নির্বাহী এবং কান্ট্রি ডিরেক্টর জারা মাহবুব বলেন, গাড়ি চালানোর জন্য লাইসেন্স লাগে বা প্লেন চালানোর জন্য পূর্ব অভিজ্ঞতা লাগে, কিন্তু ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য কোনও কিছুর প্রয়োজন হয় না। এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
ঘৃণা বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কোনটি ঘৃণা বক্তব্য সেটি নির্ধারণ করাই শেষ কথা নয়। আমাদের আইনের সঠিক প্রয়োগ করতে হবে এবং ঘৃণা বক্তব্য নির্ধারণের পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে।’
এর আগে ‘অন অ্যান্ড অফলাইন: কাউন্টারিং ভায়োলেন্ট এক্সট্রিমিজম অ্যান্ড হেট ক্রাইম’ শীর্ষক সেশনে ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক জাফর সোবহান বলেন, ঘৃণা বক্তব্যের ফলে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় সেটির বিষয়ে জিরো টলারেন্স থাকতে হবে।
তিনি বলেন, ঘটনাটি যখন ঘটে তখন এটি ঠেকানো সম্ভব হয় না কিন্তু এর ফলে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় সেটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
ইন্টারপোলের নির্বাহী পরিচালক মদন মোহন ওবেরয় বলেন, সব পক্ষ মিলে ঘৃণা বক্তব্য কোনটি সেটি নির্ধারণ করা উচিত।
এশিয়া-প্যাসিফিক সেন্টার ফর সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রফেসর শ্যামসুন্দর তেকওয়ানী বলেন, ঘৃণা বক্তব্যের জন্য সরকারকে দায়বদ্ধ হতে হবে কারণ তাদের এ বিষয়ে একটি দায়িত্ব আছে

 

 

/এসএসজেড/আইএ/টিএন/

লাইভ

টপ