কক্সবাজারের অনুমোদনহীন স্থাপনা কেন ধ্বংস করা হবে না: হাইকোর্ট

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৩:২৮, ডিসেম্বর ০৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৩:৩০, ডিসেম্বর ০৯, ২০১৯

 পরিবেশগত ছাড়পত্র ও সুয়ারেজ ছাড়া কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ধ্বংস ও অপসারণের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব রুল জারি করেন।

একইসঙ্গে কক্সবাজারের ১২০ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকতের মধ্যে থাকা অবৈধ দখল, নির্মাণ, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দূষণ, পৌরবর্জ্য ও ওয়ান টাইম ইউজ প্লাস্টিকের যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধ করতে বিবাদীদের ব্যর্থতাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

এছাড়া ২০১৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির টাস্কফোর্সের সভায় কক্সবাজারের সংরক্ষিত এলাকায় ১০ তলা সার্কিট হাউজ ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত কেন স্বেচ্ছাচারী ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র ও স্যুয়ারেজ প্লান্ট ছাড়া কক্সবাজার পৌর এলাকায় হোটেল-মোটেল-রেস্তোরাঁ মার্কেট ও বাণিজ্যিক কাঠামো নির্মাণ এবং কক্সবাজার পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, পরিবেশ মস্ত্রণালয়ের সচিব, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ২২ জন বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে বাংলাদেশ পরিবেশবিদ আইনজীবী সমিতির (বেলা) পক্ষে রিটের শুনানি করেন আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ কবির। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

এরআগে, কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা নিয়ে দেশের বেশ কিছু দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে প্রকাশিত ওইসব প্রতিবেদন সংযুক্ত করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে বেলা। রিটে কক্সবাজার জেলার সদর, মহেশখালী, টেকনাফ, রামু, চকোরিয়া, উখিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় উন্নয়ন বহির্ভূত ও সংরক্ষিত এলাকায় অবস্থিত পাহাড়, টিলা ও বনাঞ্চল দখল থেকে রক্ষায় আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়।

 

/বিআই/টিটি/

লাইভ

টপ