থ্যালাসেমিয়া রোগীদেরও সহায়তা দেবে সমাজসেবা অধিদফতর

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২১:২৮, ডিসেম্বর ০৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৪২, ডিসেম্বর ০৯, ২০১৯

থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে সমাজসেবা অধিদফতর। ‘হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম’ এর আওতায় দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের এ সহায়তা দেওয়া হবে। সম্প্রতি অধিদফতর এ সংক্রান্ত নীতিমালার অনুমোদন দিয়েছে।


এর আগে, ২০০৯-২০১০ অর্থবছর থেকে ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে সাপোর্ট সার্ভিস ফর ভালনারেবল গ্রুপ (এসএসভিজি) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত রোগীদের এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হতো সমাজসেবা অধিদফতর থেকে। ২০০৯ সালের আগে দেশের ৯৪টি হাসপাতাল ও ৪৯২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ কার্যক্রম পরিচালিত হতো। এবার এগুলোর সঙ্গে যোগ হলো থ্যালাসেমিয়া।
তবে সম্প্রতি সমাজসেবা অধিদফতার যে নীতিমালা জারি করেছে, এর মধ্যে ক্যান্সার, স্ট্রোকে প্যারাইলজড, কিডনি, লিভার সিরোসিস ও জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্তরাও অন্তর্ভুক্ত আছে। এখানে সহায়তার জন্য ভূমিহীন, বয়োজ্যেষ্ঠ, শিশু, বিধবা, উদ্বাস্তু, বিপত্মীক ও পরিবার বিচ্ছিন্নরা অগ্রাধিকার পাবেন।
গত অক্টোবরে প্রকাশিত গেজেটের হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমে বলা হয়েছে, দরিদ্র রোগীদের সহায়তার জন্যই এই নীতিমালা। একইসঙ্গে চিকিৎসাকালীন রোগীর মৃত্যু হলে তার জন্য বরাদ্দ অর্থ পরিবারকে দেওয়া হবে বলেও নীতিমালাতে বলা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, যারা এই সহায়তা পেতে চান, তারা বছরে একবারের বেশি আবেদন করতে পারবেন না। আবেদনের সঙ্গে অবশ্যই সব চিকিৎসার কাগজপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মসনদ জমা দিতে হবে। কোনও মিথ্যা তথ্য পেলে সহায়তা বাতিল হবে।
সহায়তার উদ্যোগকে স্বাগত জানান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। তিনি বলেন, ‘এ কার্যক্রমে জটিল, দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল রোগকে অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। উদ্যোগটির প্রশংসা করতেই হয়।’
জানা যায়, এসব জটিল রোগে আক্রান্তরা সহায়তার জন্য সরাসরি উপজেলা সমাজসেবা অধিদফতর অফিসারের কাছে আবেদন পাঠাতে পারবেন। কর্তৃপক্ষ তা যাচাই-বাছাই করে ৭ দিনের মধ্যে উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে পাঠাবেন। এরপর ৭ দিনের মধ্যে জেলা কমিটির কাছে পাঠানো হবে অনুমোদনের জন্য। অনুমোদনের পর এই অর্থ রোগীর ব্যাংক হিসেবে পাঠানো হবে।

 

/জেএ/আইএ/

লাইভ

টপ
X