চীন থেকে আসা তিন হাজার ৭৫৪ জন যাত্রীকে বিমানবন্দরে স্ক্রিনিং করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন ২১ জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) পর্যন্ত এ স্ক্রিনিং করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় চীন থেকে এসেছেন ৪০৬ জন, তাদের সবাইকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। তবে সন্দেহজনক কেউ আসেননি। গত ২১ জানুয়ারি থেকে আইইডিসিআরের হটলাইনে ২০১৯-এনসিওভি নিয়ে কল এসেছে ৩৭টি, এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় কল এসেছে ১২টি। তবে কেউ এই নতুন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হননি।
প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, ২০১৯-এনসিওভি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর এবং আইইডিসিআর যৌথভাবে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বিমান বন্দরে কর্মরত সব বিভাগের আরও সমন্বয় ও এয়ারলাইন্সগুলোর করণীয় সম্পর্কে সভা করেছেন। সেখানে করণীয় বিষয়ে সংক্রান্তসভা অনুষ্ঠিত হয়। এয়ারলাইন্সগুলো স্বাস্থ্য তথ্য কার্ড, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ঘোষণাপত্র ও পাবলিক হেলথ প্যাসেঞ্জার লোকেটর ফর্ম ছাপিয়ে যাত্রীদেরকে দেবেন বলে সম্মত হয়েছে।
সভায় রোগীর চিকিৎসার অংশ হিসেবে সব জেলা হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সরঞ্জামাদি প্রস্তুত রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয় এবং রোগী সম্পর্কে সব ধরনের করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, রোগীর চিকিৎসার অংশ হিসেবে সব জেলা হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট নির্দিষ্ট করা হয়েছে।







