সারাদেশে বাড়ছে নিরাপত্তা চেয়ে সাংবাদিকদের জিডি

Send
আমানুর রহমান রনি
প্রকাশিত : ২১:০৫, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:০৪, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০

নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান সুমন।

রাজধানীসহ সারাদেশে গত ছয় মাসে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় হামলার শিকার হয়ে এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকির ঘটনায় ১১৮ জন সাংবাদিক জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে দেশের বিভিন্ন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। হত্যাচেষ্টার মামলাও হয়েছে। কয়েকটি ছাড়া কোনও ঘটনাতেই অপরাধী বা অভিযুক্তদের গ্রেফতার বা আটকের রেকর্ড নেই। তবে পুলিশের দাবি, দেশের সব নাগরিকদের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেয় তারা। সাংবাদিকদের কেউ নিরাপত্তা চাইলে পুলিশ তাদের বিষয়ে আইনানুগ উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

গত বছরের জুনে জামালপুরের ৪৮ সাংবাদিক, সেপ্টেম্বরে সিলেটের ৫৬ সাংবাদিক, এবছরের ২২ জানুয়ারিতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং গত একমাসে ঢাকায় ১২ সাংবাদিক দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে হামলা বা হুমকির অভিযোগে জিডি করেছেন। এর মধ্যে হামলার কয়েকটি ঘটনায় কয়েকজন সাংবাদকর্মী গুরুতর আহতও হয়েছেন। কিন্তু বেশিরভাগ ঘটনায় হামলাকারীরা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

ঢাকায় সদ্য সমাপ্ত দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের সময় ১০ জন সাংবাদিক মারধরের শিকার হন। এছাড়াও নির্বাচনের পরদিন  বেসরকারি মাছরাঙা টেলিভিশনের দু্ই জন এবং বংশালে বেসরকারি টেলিভিশন নিউজ ২৪ এর টিম আন্ডার কভারের দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা চালানো হয়।

রাজধানী পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগনির্বাচনের দিন দায়িত্ব পালনের সময় সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান সুমন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর সম্প্রতি বাড়ি ফিরেছেন। তাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় চার জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তারা রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারাগারে। তবে একই ঘটনায় অন্য সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হুমকির ঘটনায় জিডি হলেও ঘটনা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।  

ঢাকার বাইরেও সাংবাদিকদের হুমকি ও তাদের ওপর হামলার ঘটনা অহরহ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। গত বছর জামালপুরে কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি ও বাংলার চিঠি ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা মনজুর পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। এ জন্য মোস্তফা মনজু বাদী হয়ে ওই চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। জেলার সাংবাদিকরা সে সময় সাংবাদিক নির্যাতনের বিচার চেয়ে আন্দোলন শুরু করেন। সন্ত্রাসীরা জামিনে মুক্তি পেয়ে আন্দোলনরত সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি দিলে মোস্তফা মনজুসহ মোট ৪৮ জন সাংবাদিক তাদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে গত বছর ১ জুন রাতে জামালপুর সদর থানায় জিডি করেন। জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি চ্যানেল আইয়ের সাংবাদিক হাফিজ রায়হান সাদা ও সাধারণ সম্পাদক এটিএন বাংলার সাংবাদিক লুৎফর রহমান জানান, জিডি গ্রহণ করে পুলিশ তখনই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন নেতার চাপের মুখে মোস্তফা মনজুরের দায়েরকৃত মূল মামলা আপস করা হয়। কিন্তু অবশিষ্ট ৪৭ জন সাংবাদিকের দায়ের করা ডিজির কোনও ব্যবস্থা হয়নি। বরং ওই মূল মামলার দ্বিতীয় সাক্ষী সাংবাদিক শেলু আকন্দের ওপর গত ১৮ ডিসেম্বর হামলা চালিয়ে তার দুটি পা ভেঙে দেয় চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা।

গত বছর ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটে এনটিভির সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট মঈনুল হক বুলবুলকে সাদা পোশাকের একদল অস্ত্রধারী তুলে নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে বুলবুলের পরিবার ও সাংবাদিক নেতারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন শাখায় যোগাযোগ করেন।
তারা বলেন, সাদা পোশাকে আটক বা গ্রেফতারে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বুলবুলকে আটকের ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। এমনকি বুলবুলকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় উপস্থিত কয়েকজন আটককারীদের পরিচয় জানতে চাইলেও পরিচয় দেননি তারা।
সিনিয়র সাংবাদিক বুলবুলকে এভাবে পরিচয় গোপন করে তুলে নিয়ে সিলেট জেলা পুলিশ ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ করেন সাংবাদিকরা। এ ঘটনার পর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন সিলেটের ৫৬ জন সাংবাদিক।

গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঢাকা উত্তরের কয়েকটি নির্বাচনি কেন্দ্রের সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন ‘আগামী নিউজ’-এর সাংবাদিক সুমন। সে সময় ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড রায়েরবাজারের জাফরাবাদে সাদেক খান রোড এলাকায়  ১২/১৫ জন সন্ত্রাসী তার ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় ৩ ফেব্রুয়ারি সুমন বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। সাংবাদিক সুমন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ক্যামেরা ভেঙে ড্রেনে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা

মোস্তাফিজুর রহমান সুমন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অফিস অ্যাসাইনমেন্ট অনুযায়ী পহেলা ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের অনুমতির (নির্বাচনে সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ কার্ড) পরিচয়পত্র গলায় ঝুলিয়ে সকাল সাড়ে ৬টা থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালন করছিলাম। বেলা ১০টার দিকে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার খবর পেয়ে জাফরাবাদ সাদেক খান রোডে যাই। এসময় অর্ধশতাধিক গণমাধ্যমকর্মীও ওই এলাকায় ছিলেন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের টিফিন ক্যারিয়ার মার্কার প্রার্থী শেখ মোহাম্মাদ হোসেনের সমর্থক অস্ত্রধারীদের মিছিল দেখে একাধিকবার ভিডিও ধারণ করি। অফিসে পাঠালে তা প্রকাশও হয়। সশস্ত্র  অস্ত্রধারীদের আরও ছবি ও ভিডিও ধারণ  করতে গেলে এক পর্যায়ে তারা আমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে চলে যায় এবং মামলা বা বাড়াবাড়ি না করার জন্য হুমকি দেয়।’

হামলাকারীদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হামলাকারীরা টিফিন ক্যারিয়ার মার্কার কাউন্সিলর প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ হোসেন খোকনের সমর্থক ছিল। কারণ, অস্ত্রধারীরা তারই স্লোগান দিচ্ছিল এবং তাদের বুকে,গলায় ও মাথায় শেখ মোহাম্মদ হোসেন খোকনের ব্যাজ, টুপি ও পোস্টার ছিল। ওই প্রার্থী আমাকে দেখে নেওয়ার ও মামলা বা বাড়াবাড়ি না করার হুমকিও দিয়েছিল হাসপাতালে এসে।’

এই ঘটনায় সুমন একটি মামলা করেছেন। তবে ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়েও তার সন্দেহ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বিচার দাবি করে কি লাভ? এদেশে সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার হয় না।  তবুও আমি আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আস্থা রাখতে চাই।’

গত ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পুরান ঢাকার নয়াবাজারে কাস্টমস বন্ড কমিশনারের অভিযানের সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অর্ধশতাধিক সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন বেসরকারি টিভি চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরের সাংবাদিক ফখরুল ইসলাম ও ক্যামেরাপারসন শেখ জালাল। এসময় তাদের ক্যামেরা ও ব্যাগ ছিনতাই করে সন্ত্রাসীরা। চ্যানেলের গাড়িতে চালানো হয় ভাঙচুর। এই ঘটনায় বংশাল থানায় ফখরুল ইসলাম  মামলা করেন। ঘটনার পর পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে আদালতেও স্বীকারোক্তি দিয়েছে একাধিক আসামি। এই ঘটনার পর আতঙ্কিত ফখরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সেদিন যেভাবে চারদিক থেকে আমাদের ওপর হামলা করেছিল, তাতে আমার বাঁচার কথা ছিল না। সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছি। এ ধরনের হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে বাধা। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের আইনের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা। তাহলে এই পরিস্থিতি থেকে আমরা বের হতে পারবো।’

সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আর্টিকেল নাইনটিন বাংলাদেশ। এই সংস্থার দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ফারুখ ফয়সল বলেন, ‘বৈশ্বিক মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ে আর্টিকেল নাইনটিনের সর্বশেষ ২০১৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন (গ্লোবাল এক্সপ্রেশন রিপোর্ট) অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় মত প্রকাশের স্বাধীনতা চর্চায় বাংলাদেশ পিছিয়ে। রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক কর্মীদের দ্বারা সংবাদকর্মীদের ওপর ক্রমাগত আক্রমণ, মামলা ও নিপীড়নের যে সংস্কৃতি চলমান রয়েছে, এ ধরনের হামলার ঘটনা সেই বাস্তবতার প্রমাণ দেয়।’

তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের ওপর হামলার মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে ক্রমাগতভাবে সঙ্কুচিত করা হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য বিরাট হুমকি। সরকার জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পরিসরে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিক তথা মানবাধিকারকর্মীদের সুরক্ষার কথা বললেও বাস্তবতা বদলায়নি। নিকট ও দূর অতীতে সাংবাদিকদের ওপর যেসব হামলা হয়েছে, তার কোনোটিতেই এখন পর্যন্ত বিচার হয়নি।’

সিটি নির্বাচনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের মানববন্ধনতিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনবে ও বিচার সম্পন্ন করবে। একইসঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে সাংবাদিক ও মতপ্রকাশকর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

এই সংগঠন জানায়, ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৪৮টি মামলা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে আইনজীবী, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিকও রয়েছে। তারা মনে করে এসব মামলার মাধ্যমে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করা হয়েছে।

সাংবাদিকরা ধারাবাহিকভাবে সাম্প্রতিক সময়ে হামলা ও ‍হুমকির শিকার হলেও সাংবাদিক সংগঠনগুলোও এসব প্রতিরোধে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনও আন্দোলন করে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখতে পারছে না। এর কারণ হিসেবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এর সহসভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা সাংগঠনিকভাবে কোনও পদক্ষেপ নিতে পারছি না। আমরা সাংবাদিকদের প্রটেকশন দিতে পারছি না। কারণ আমাদের নেতৃত্বে এই ধরনের কোনও উদ্যোগ নেই। আমি নিজেও একজন নেতা, তবে আমার ওপরেও নেতা আছে। সামগ্রিকভাবে তাদের কাছ থেকে কোনও চেষ্টা বা উদ্যোগ নেই। টুকটাক প্রতিবাদ হয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে সাংগঠনিক একটি দৃঢ় অবস্থানের দরকার। সেটি হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রবণতা ভয়ঙ্কর। একটি ধারণা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে যে সাংবাদিকদের মারলে কিছু হয় না। যে কোনও সন্ত্রাসী ও অবৈধ কারবারি সাংবাদিকদের মারবে, নির্যাতন করবে আর তার বিচার হবে না এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। সব নির্বাচনের সময় সাংবাদিকরা ঢাকা ও ঢাকার বাইরে হামলার শিকার হয়েছে। কোনও আশ্বাস ছাড়া সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তেমন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’

তার দাবি, এমন সমস্যার সমাধানে ‘সরকারকে উপায় বের করতে হবে। সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এছাড়া আমাদের গণমাধ্যমগুলোকেও তার কর্মীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মালিক সাংবাদিক ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদের কথা ভাবতে হবে।’ 

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ সদর দফতরের জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার এআইজি সোহেল রানা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন , ‘প্র‌তি‌দিন হাজার হাজার অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে পু‌লিশ। কো‌টি কো‌টি মানুষের নিরাপত্তা বিধানে নিরলস কাজ করে চলেছে বাংলাদেশ পু‌লিশের সদস্যরা। সাংবা‌দিকসহ যে কেউ নিরাপত্তা চাইলে পু‌লিশ তার নিরাপত্তা নি‌শ্চিত করতে আইনানুগ উদ্যোগ গ্রহণ ক‌রে। এক্ষেত্রে পুলিশের ঐকা‌ন্তিক ইচ্ছা ও চেষ্টার কো‌নও ঘাট‌তি নেই। ত‌বে আ‌ক‌স্মিক কো‌নও হামলা বা নিরাপত্তা ঝুঁকির ক্ষেত্রে পু‌লিশ স্বল্পতম সময়ে রেসপন্ড করতে (সাড়া দিতে) সর্বোচ্চ চেষ্টা করে।’

 

/এফএস/ টিএন/

লাইভ

টপ