সীমিত আকারে কমিউনিটি টান্সমিশন, এখনও সূত্র খুঁজে পায়নি আইইডিসিআর

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৭:০৯, মার্চ ২৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:০৫, মার্চ ২৭, ২০২০

ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরাকরোনাভাইরাসের সীমিত আকারে কমিউনিটি টান্সমিশন রয়েছে বলে মনে করলেও প্রথম সংক্রমণের সূত্র এখনও খুঁজে পায়নি আইইডিসিআর। শুক্রবার ( ২৭ মার্চ) কোভিড-১৯ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ কথা বলেন।

নভেল করোনাভাইরাসে বা কোভিড-১৯ এ নতুন আক্রান্ত হওয়া চার জনের মধ্যে একজন এর আগে চিহ্নিত হওয়া একটি ক্লাস্টার থেকে, তবে সেখানে প্রথম সংক্রমণ কোথা থেকে হয়েছিল, সেই তথ্য এখনও হাতে আসেনি বলে জানিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। 

তিনি বলেন,  ‘আজ নতুন আক্রান্ত হওয়া চার জনের মধ্যে সেই ক্লাস্টারভুক্ত আরও একজনকে আমরা চিহ্নত করেছি, তবে আমরা আমাদের অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছি, যেন নিশ্চিত করতে পারি— প্রথম সংক্রমণটি কোথা থেকে হয়েছিল।’

এটাকে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বলা যাবে কিনা সংবাদ সম্মেলনে এমন  প্রশ্নে তিনি বলেন,  ‘আমাদের সীমিত আকারে কমিউনিটি টান্সমিশন রয়েছে বলে আমরা মনে করছি। যদিও এটা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পরেনি।  কারণ, যখনই কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হতে পারে মনে হয়েছে,  তখনই সেই এলাকাকে সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। সেখানে আমরা অ্যাকটিভলি রোগী খুঁজছি। কারও লক্ষণ- উপসর্গ আছে কিনা এটা দেখার জন্য অপেক্ষা করি না।’

তিনি বলেন,  ‘প্রতিদিন তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। কোনও বাড়িতে কারও লক্ষণ-উপসর্গ রয়েছে কিনা, অথবা যাদের সংস্পর্শে যারা এসেছেন, তাদের লক্ষণ না থাকলেও নমুনা সংগ্রহ করে তাদের পরীক্ষা করা হচ্ছে।’

আক্রান্ত  তিন জন আগে আক্রান্ত হওয়া রোগীদের সংস্পর্শে এসেছিলেন বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

অধ্যাপক সেব্রিনা বলেন, ‘কোনও রোগীকে আইডেন্টিফাই করা যায়, এমন কোনও তথ্য আমরা প্রকাশ করছি না, যদি না রোগী নিজে প্রকাশ করেন।’ সেটি ব্যক্তিগত বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যখনই যেখানে কোনও রোগী আমরা শণাক্ত করি, তৎক্ষণাৎ সেই রোগীর সংস্পর্শে যারা আসেন, তাদের লিস্ট করে ফেলি এবং তাদের প্রত্যেককে কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা করে থাকি।’

ডা.   ফ্লোরা বলেন, ‘হাসপাতালে যখন রোগী মারা গেছেন, তখন সেই হাসপাতালকে জীবাণুমক্ত  করার জন্য সাময়িক বন্ধ করে জীবাণুমুক্ত করণ প্রক্রিয়া চলতে পারে, সে কার্যক্রম চলছে।’

আরও পড়ুন:

দুই চিকিৎসকসহ আরও চার জন করোনায় আক্রান্ত

নমুনা পরীক্ষায় পরিবর্তন এনেছে আইইডিসিআর

 

 

 

/জেএ/এপিএইচ/

লাইভ

টপ