‘নিশ্চিত করে বলা যাবে না কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে না’

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:১৬, এপ্রিল ০১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৪৭, এপ্রিল ০১, ২০২০

করোনাভাইরাসদেশে মৃদু লেভেলে বা সামান্য মাত্রায় করোনাভাইরাসের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের (আইপিএইচ) ভাইরোলজিস্ট খন্দকার মাহবুবা জামিল। তিনি বলেন, ‘আমরা বলতে চাই… কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে। তবে নিশ্চিত করে বলা যাবে না, কারণ সেটা মৃদৃ লেভেলে। বিভিন্ন জায়গা থেকে যেসব স্যাম্পল পাচ্ছি, সেটা এত বেশি না। যত স্যাম্পল কালেকশন হয়েছে, তাতে এতটা পজিটিভ পাচ্ছি না।’

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) কোভিড-১৯ নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুবা জামিল দাবি করেন, ‘যদি কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বেশি হতো, তাহলে সবকটি'তে (সংগৃহীত সব নমুনা) আমরা পজিটিভ পেতাম। সেখান থেকে বলা যায়, কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে, কিন্তু সেটা মৃদু লেভেলে’।

এদিকে করোনাভাইরাসের সীমিত আকারে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন রয়েছে বলে মনে করলেও প্রথম সংক্রমণের সূত্র এখনও খুঁজে পায়নি জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। গত ২৭ মার্চ প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, ‘করোনাভাইরাসে বা কোভিড-১৯-এ নতুন আক্রান্ত হওয়া চার জনের মধ্যে একজন এর আগে চিহ্নিত হওয়া একটি ক্লাস্টার থেকে, তবে সেখানে প্রথম সংক্রমণ কোথা থেকে হয়েছিল, সেই তথ্য এখনও হাতে আসেনি।’

এটাকে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বলা যাবে কিনা সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্নে তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের সীমিত আকারে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন রয়েছে বলে মনে করছি। যদিও এটা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েনি। কারণ, যখনই কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হতে পারে মনে হয়েছে, তখনই সেই এলাকাকে সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। সেখানে আমরা অ্যাকটিভলি রোগী খুঁজছি। কারও লক্ষণ-উপসর্গ আছে কিনা এটা দেখার জন্য অপেক্ষা করি না।’

এদিকে, বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের নমুনা সংগ্রহ করে পজিটিভ পাওয়া যায়নি। মৃতদেহের শরীরে কতক্ষণ এ ভাইরাস থাকে এবং সেখান থেকে ছড়াতে পারে কিনা জানতে চাইলে খন্দকার মাহবুবা জামিল বলেন, ভাইরাসটি সাধারণত লিভিং সেলের ভেতরে থাকে। কিন্তু যেহেতু মৃতদেহ… আমরা ধরে নিই... পেডিকশন দুই থেকে তিনঘন্টার মতো সময়… ডিটারমাইন করে বলা যাবে না, এটা আসলে কয় ঘণ্টা, সেজন্য যেখান থেকেই মৃতদেহ থেকে স্যাম্পল কালেকশন করার কথা বলা হয়, সেখানে দুই থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে স্যাম্পল কালেকশন করা হয়।

সর্দি-জ্বর নিয়ে মারা যাওয়াদের মধ্য থেকে কতজনের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে জানতে চাইলে ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, স্পেসিফিক বলতে পারবো না। তবে পত্রিকায় যত মৃত্যুর খবর এসেছে, তাদের প্রায় সবার শরীর থেকেই স্যাম্পল সংগ্রহ করেছি। সেগুলো নেগেটিভ এসেছে।

যাদের পরীক্ষা করা হয়েছে, তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য স্বাস্থ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইটে দেওয়া যায় কিনা প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা বিষয়টা চিন্তা করবো।

/জেএ/টিটি/এমওএফ/

সম্পর্কিত

লাইভ

টপ