উচ্চতর গ্রেডের দাবি বঞ্চিত শিক্ষকদের

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:১৮, মে ১৫, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:১৮, মে ১৫, ২০২০

মাউশিসরকারি শিক্ষকদের সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষকদের বৈষম্য দূর করে উচ্চতর গ্রেড প্রদানের দাবি জানিয়েছেন এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষককরা। শুক্রবার (১৫ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অফিতফতরের মহাপরিচালকের কাছে এই দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরামের মুখপাত্র নজরুল ইসলাম রনি শিক্ষকদের পক্ষে এই দাবি তুলে ধরেন।  

লিখিত দাবিতে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সারা জীবনে একটি মাত্র টাইম স্কেল ছিল। যা ২০১৫ সালের পর থেকে বন্ধ রয়েছে। ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল চালু হলে সরকারি কর্মকর্তা ও সরকারি শিক্ষক সবাই উচ্চতর গ্রেডের সুবিধা পান। কিন্তু এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরকে উচ্চতর গ্রেড দেওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘ ৫ বছরেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এতে শিক্ষক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।’

লিখিত দাবিতে বলা হয়,  এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেডের বাজেট বরাদ্দ রয়েছে। একবার শিক্ষা মন্ত্রালয়ে এ বিষয়ে একটি সভাও হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। আপনি আন্তরিক হলে শিক্ষক সমাজ শিগগিরই উচ্চতর গ্রেড পাবে এমনটি আমরা শিক্ষক সমাজ প্রত্যাশা করছি। শিক্ষকরা প্রতিমাসে প্রায় ৬-৭ হাজার টাকা পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এমতাবস্থায় শিক্ষকতার প্রতি অনেকের অনীহা কাজ করছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে অবশ্যই শিক্ষকদের এই ন্যায্য পাওনা দিতে হবে।

নজরুল ইসলাম রনি বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মাত্র এক হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া ও ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান। দীর্ঘ ১৬ বছরেও বেসরকারি শিক্ষকদের সঙ্গে বেসরকারি কর্মচারীদের ঈদ বোনোসের বৈষম্য দূর করা হয়নি। শিক্ষকরা পান  ২৫ শতাংশ ঈদ বোনাস আর কর্মচারীরা পান ৫০ শতাংশ।

 

 

 

/এসএমএ/এসটি/

লাইভ

টপ