নদীর জায়গা পুনর্দখল করা বড় অপরাধ: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:১৩, জুলাই ১৩, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:১৫, জুলাই ১৩, ২০২০

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (ছবি: সংগৃহীত)

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নদীর সীমানা চিহ্নিত করা জায়গা পুনর্দখল করলে আরও  বড় অপরাধ হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে কেউ এ ধরনের দুঃসাহস দেখাবেন না। সোমবার (১৩ জুলাই) বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদের তীর রক্ষা প্রকল্প পরিদর্শন এবং বিরুলিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘নদীর তীর দখলমুক্ত করতে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর সাহসিকতা ও সমর্থনের কারণে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ও নদীর তীর দখলমুক্ত রাখতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিল।’

প্রতিমন্ত্রী আরও  বলেন, ‘ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর প্রয়োজনীয়তা  নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে অন্য কেউ বেশি অনুভব করেন না। নদীর প্রবাহ ঠিক রাখা, দখলমুক্ত করা এবং জীবন জীবিকার চাহিদা পুরণে সরকার সচেষ্ট রয়েছে।’ তিনি নদীর তীর দখলমুক্ত করতে গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করেন। 

তিনি বলেন, ‘আমরা নদী তীরের ৯০ ভাগ দখলমুক্ত করতে পেরেছি। সীমানা পিলার দৃশ্যমান, পাকা দেয়াল এবং ওয়াকওয়ের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পের কাজের গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে  পরিকল্পনা কমিশনে সংশোধিত প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। সেটি অনুমোদিত হলে নদী তীরের কাজগুলো আরও বেশি টেকসই হবে। আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।’

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী  বলেন, ‘উদ্ধার করা জায়গায় সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।  এর কার্যক্রম  ধারাবহিকভাবে চলমান থাকবে। সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা হবে। নদী রক্ষা, দখল ও দূষণরোধ এবং পরিবেশের উন্নয়নে মাস্টার প্ল্যান অনুমোদিত হয়েছে। মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে পারলে ঢাকার চারপাশের নদী নয়, ঢাকার মধ্য দিয়ে নৌ চলাচল সম্ভব।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নদী মাতৃক বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে মর্যাদার আসনে নিতে কাজ করছি। সরকার শত বছরের ডেল্টা প্ল্যান কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খনন, ঢাকার চারপাশের নদীসহ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী রক্ষায় কাজ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্ব বাংলাদেশকে মর্যাদার জায়গায় নিয়ে গেছে। তার নেতৃত্বেই দেশ এগিয়ে যাবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে  সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে এনেছি । নদী ও নৌপথও সচল রাখতে কাজ করতে পারবো।’

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদের তীররক্ষা প্রকল্প পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন— নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অনল চন্দ্র দাস, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম মোহাম্মদ সাদেক এবং  প্রকল্প পরিচালক নুরুল হক।

 

/জেইউ/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

লাইভ

টপ