অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা ও বাড়ির কাজ দেওয়া যাবে না

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:৪৭, অক্টোবর ২১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:৫৭, অক্টোবর ২১, ২০২০

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিচলতি শিক্ষাবর্ষে (নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে) সংক্ষিপ্ত সিলেবাস চলাকালে দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের কোনও সরকারি বা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোনও ধরনের পরীক্ষা নিতে পারবে না। এমনকি হোমওয়ার্কসহ অন্য কোনও কাজ দেওয়া যাবে না শিক্ষার্থীদের। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষার বিষয়ে ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল যুক্ত ছিলেন।
দীপু মনি বলেন, ‘যখন এই মূল্যায়নের বিষয়টি নিয়ে বলেছি তখনই বলেছি, এই সময়টিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন সম্পর্কিত কার্যযক্রম ছাড়া অন্য কোনও বাড়ির কাজ গ্রহণ করতে পারবে না। আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জানিয়ে দেবো যে কোনও ধরনের পরীক্ষা নেবেন না। পরবর্তী ক্লাসে সবাই যাবে, এটি আমাদের নির্দেশনা। কাজেই আমি বিশ্বাস করি সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই নির্দেশনা মেনে চলবে। 
সংক্ষিপ্ত ক্লাস কবে শেষ হবে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পরবর্তী দুই মাসের মধ্যেই আমরা শেষ করবো। নভেম্বর ডিসেম্বর দুই মাসের মধ্যে ৩০ কর্মদিবসে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বাস্তবায়ন করতে হবে।’
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে এই সিলেবাস সম্পন্ন করতে পারবে বলে উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী। শিগগিরই এই সিলেবাস প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।
অনলাইনেই শিক্ষার্থীদের এই সিলেবাসের ৩০টি ক্লাস সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে এবং অনলাইনেও থাকবে। স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেভাবে সম্ভব শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করবেন। গ্রুপ করে শিক্ষার্থীদের এই ক্লাসগুলো করাতে পারবেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এনসিটিবি মাধ্যমিক পর্যায়ের জন্য ৩০ কর্মদিবসে শেষ করা যায় এমন একটি সিলেবাস প্রণয়ন করেছে। সংশ্লিষ্ট শ্রেণির বিষয়ভিত্তিক শিখনফলের গুরুত্ব বিবেচনা করে সিলেবাসটি এমনভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে যেন তা পরবর্তী ক্লাসের শিখনফল অর্জনে সহায়তা করে। সিলেবাসটি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সারা দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে। এনসিটিবির সংশ্লিষ্ট সিলেবাস থেকে অ্যাসাইনমেন্ট মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছে পৌঁছানো হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা প্রতি সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবেন। শিক্ষার্থীরা এ অ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করে পরবর্তী সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জমা দিয়ে পরের সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সংগ্রহ করবে। এক্ষেত্রে অনলাইনের সাহায্যে করা যাবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা অ্যাসাইনমেন্ট নেবেন। কোনও ক্ষেত্রে যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে সম্ভব হয় তাহলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে পারবেন।
ভার্চুয়াল এই প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও যুক্ত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক।

/এসএমএ/এমআর/

লাইভ

টপ