নারীর উন্নয়ন সমুন্নত রাখতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৫:১১, অক্টোবর ৩১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:১১, অক্টোবর ৩১, ২০২০

 

বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি

নারী উন্নয়ন ও অর্জনকে সমুন্নত রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিজ পরিবার ও সমাজে নারী নির্যাতন বিরোধী সচেতনতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালনেরে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি।  শনিবার (৩১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত সমিতির কার্যকরী কমিটির সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।  

 সভায় বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেন বলেন, ‘ধর্ষমন মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনায় দেশের নারীদের অগ্রগতি বিষয়ে অর্জিত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি (দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নারীর সমতা বিধানে বাংলাদেশ শীর্ষে -ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম -প্রতিবেদন ২০১৯) ম্লান করার অপতৎপরতা চলেছে।  ধর্ষণ বিরোধী নাগরিক সংহতি এবং রাষ্ট্র কর্তৃক অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।  তাই বাংলাদেশের নারী উন্নয়ন ও অর্জনকে সমুন্নত রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিজ পরিবার ও সমাজে নারী নির্যাতন বিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে। ’

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান সংযোজন করে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন আইন’ সংশোধন করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন শেখ কবির হোসেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষা-সংস্কৃতি, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও রাজনীতিতে বাংলাদেশের নারীদের অংশগ্রহণ, অগ্রগতি ও অবদান বিশেষভাবে উল্লেখ্য।  আর এসবই সম্ভব হয়েছে শিক্ষা ক্ষেত্রে নারী জনগোষ্ঠীর ব্যাপক সুযোগ ও সাফল্যের কারণে।’ 

শেখ কবির জানান, বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা পর্যায়ে নারী শিক্ষার্থীর হার ৯৯ শতাংশ। মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে পাঠ্যবই এবং বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েরা বিনামূল্যে লেখাপড়া করছে।  ইউনিয়ন পরিষদে প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত ১২ হাজারের অধিক নারী প্রতিনিধি কাজ করছেন।  জাতীয় সংসদে ৭২ জন নারী সাংসদ এবং স্পিকার, শিক্ষামন্ত্রীসহ নানা রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ পদে আমাদের নারীরা যোগ্যতার সাক্ষর রাখছেন।  

সভায় নারী নির্যাতন তথা ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বয়কট ও প্রয়োজনে ধর্ষনকারী ও তার পরিবারকে ঘৃণা প্রদর্শনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়।

 

 

 

/এসএমএ/এসটি/

সম্পর্কিত

লাইভ

টপ