বইমেলায় শাকীরের অর্ধশতাধিক প্রচ্ছদ

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:০৮, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:১৮, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৬

শাকির এহসানুল্লাহর করা কয়েকটি প্রচ্ছদ৫ বছর ধরে বইয়ের প্রচ্ছদ করছেন তরুণ শিল্পী শাকীর এহসানুল্লাহ। এ বছর তিনি বিগত বছরের চেয়ে কাজ করেছেন বেশি। এবার তার উল্লেখযোগ্য কাজ- নঈম নিজামের ভ্রমণ বিষয়ক গ্রন্থ ‘ভ্রমণে কত কাহিনী’ এবং নির্বাচিত কলামগ্রন্থ ‘চাঁদের আলোয় মৃত্যু দেখা’ ও ‘প্রিন্ট জার্নালিজম’; তসলিমা নাসরিনের ‘আমার ভাষা আমার প্রতিবাদ’; এম এস রানার গল্পগ্রন্থ ‘এক মুঠো গল্প’; রণক ইকরামের ‘রহস্যময় প্রেমের উপন্যাস’; মানিক মুনতাসিরের কাব্যগ্রন্থ ‘খবরের কবর’; মুহিবুর সোহেলের গোয়েন্দা কাহিনী ‘গুবলেট ০২০’।

নিজের কাজ প্রসঙ্গে শাকীর এহসানুল্লাহ বলেন, ‘কবি আহমেদ তানভীর ও কবি ভাস্কর চৌধুরীর বই দিয়ে প্রচ্ছদ করা শুরু হয়। এরপর থেকে আর বের হতে পারিনি এই মজার কাজটা থেকে। শুধু টাকার জন্য নয়, ধরতে গেলে নেশা হিসেবেই কাজটা করে থাকি আমি। আর বইয়ের নাম বা গল্প পছন্দ হয়ে গেলে তো কোনো কথাই নাই। সেটা করে অন্যরকম একটা তৃপ্তিও পাই। নাম বা গল্প প্রছন্দ না হলে মনের সাথে কিঞ্চিত যুদ্ধ করতে হয় কাজের খাতিরে। অতএব, একটা সুন্দর প্রচ্ছদ মানেই আমার কাছে এক রাত তৃপ্তির ঘুম।’

প্রচ্ছদকর্মে প্রবেশ সম্পর্কে শাকীর এহসানুল্লাহ বলেন, ‘একদম ছোটবেলার আঁকাআঁকির নেশা থেকেই ধীরে ধীরে এইদিকে আসা। এভাবে নেশাকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া। আর এখন তো অফিসের কাজের পাশাপাশি বেশ কিছু কাজই করা হয় আমার। এই যেমন প্রচ্ছদ, লোগো ডিজাইন, স্কেচ, ইলাস্ট্রেশন, ইত্যাদি। অবশ্য ছবি আঁকার নেশাটা সর্বদাই বিদ্যমান। সুযোগ পেলে আর মন ভালো থাকলেই ছবি আঁকা হয়। পাঁচ বছর বয়স থেকে যে নেশা লেগে আছে, সেটা কি আর ঝেড়ে ফেলা যায়!’

শাকীর বলেন, ‘সবচে খারাপ লাগে যখন দেখি ক্লায়েন্ট ভালো প্রচ্ছদটা রেখে খারাপটা পছন্দ করে ফেলেছেন। কিছুই বলার থাকে না। আরেকটা ব্যপার খারাপ লাগে, যখন দেখি আমার করা একটা প্রচ্ছদের নিউজে আরেকজনের নাম চলে এসেছে। এই ব্যপারটা গত বইমেলা ও তার আগের বইমেলাতেও কয়েকবার হয়েছে। বইয়ের নিউজ পড়তে গিয়ে দেখি আমার করা কাজে ধ্রব এষ দাদার নাম লেখা। এবার অবশ্য এমন কিছু চোখে পড়েনি।’

/এসটিএস/এজে/

সম্পর্কিত

 
 
 
 

লাইভ

টপ