পৌরসভা নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ বলেছেন, নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু হয় তার জন্য রিটার্নিং অফিসার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি সকল ভোটারকে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মাঠে থাকবে। আপনারা সবাই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।
নির্বাচনি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের অভিযোগের ব্যপারে তিনি বলেন, ‘বিএনপির কিছু অভিযোগ অতিরঞ্জিত। তবে শুধু বিএনপি নয়, আমরা সকলের অভিযোগ আমলে নিয়েছি। নির্বাচন সংক্রান্ত যে সব অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সোমবার রাত ১২টার মধ্যে সকল নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা শেষ করতে হবে। বহিরাগতদের নির্বাচনি এলাকা ত্যাগ করতে বলা হয়েছে। এরপরও কাউকে পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনি বিধিমালা অনুসারে নির্বাচনে ভোটগ্রহণের ৩২ ঘণ্টা আগে থেকে সকল ধরনের প্রচার প্রচারণা নিষিদ্ধ। ৩০ ডিসেম্বর বুধবার সকাল ৮টা থেকে ২৩৪টি পৌরসভার মধ্যে ২৩৩টিতে একযোগে ভোট গ্রহণ চলবে। অবশিষ্ট গোপালগঞ্জের ওই পৌরসভায় শেখ আহমেদ হোসেন মীর্জা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
এর আগে রবিবার মধ্যরাতে সারাদেশে পৌর নির্বাচনি এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়।
নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটের আগে দুই দিন ও পরের একদিনসহ মোট চারদিন নির্বাচনি এলাকাগুলোয় ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করবে।
/ইএইচএস/এনএস/এইচকে/







