প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবর্ধনায় কোনও অনুপ্রবেশকারী যেন ঢুকতে না পারে সেজন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।
বুধবার (০৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এ সভার আয়োজন করে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে যোগদান শেষে ৭ অক্টোবর দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা। এদিন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে তাকে সংবর্ধনা দেবে আওয়ামী লীগ।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনায় আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। যেন কোনও অনুপ্রবেশকারী এ অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে না পারে।’ এ সংবর্ধনায় দলীয় সাংগঠনিক শক্তির প্রকাশ ঘটবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধান বিচারপতির ‘ঘাড়ে পা’ দিয়ে বিএনপির ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন নস্যাৎ হয়ে গেছে মন্তব্য করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সবসময় একটা ইস্যু খোঁজে। এর আগে প্রধান বিচারপতির ঘাড়ে পাড়া দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য একটা ষড়যন্ত্র করেছিল তারা। কিন্তু সে ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়েছে। এখন রোহিঙ্গা নিয়ে তাদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি অসুস্থতার কারণে ছুটি চেয়েছেন। তার জন্য দোয়া করা উচিত। আমরা সবাই তার রোগমুক্তি ও দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া করছি। তখন বিএনপি এটা নিয়ে নানা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। কিন্তু কোনও ষড়যন্ত্রই আমাদের চলার পথে বাধা হতে পারবে না।’
সভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশের বাইরে বসে ষড়যন্ত্র করছেন। আমরা ব্রিটিশ সরকারের কাছে তার ষড়যন্ত্রের বিষয়ে তদন্ত দাবি করবো। বাংলাদেশের আদালতে একজন দণ্ডিত আসামিকে কিভাবে সে দেশ আশ্রয় দিয়েছে?’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।








