যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী দেশের যুব সমাজকে উদ্দেশ করে বলেছেন, `যুবসমাজ দেশের আমজনতার স্বার্থকেই সামনে ধরে এগিয়ে যাবে, কোনও বিশেষ নেতা বা রাজনৈতিক দলের কাছে আত্মসমর্পন করে নয়। সাধারণ মানুষকেই আপনারা সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ইনশাল্লাহ আপনাদের হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ থাকবে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আপনাদের হাতে। আপনাদের বিজয় সুনিশ্চিত।’ তিনি বলেন, আমরা আপনাদের চিন্তাধারা হয়তো এতদিন সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারিনি।
রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কৃষিবিদ কনভেনশন হলে বিকল্পধারা বাংলাদেশের সহযোগী সংগঠন ‘প্রজন্ম বাংলাদেশ’এর যুব প্রচার অভিযান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বিকল্পধারা বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব, প্রজন্ম বাংলাদেশ -এর প্রধান মাহী বি চৌধুরী বলেন, অহিংস, মেধানির্ভর রাজনীতির সক্রিয় সমর্থক তরুণদের ঐক্যবদ্ধ করে ভারসাম্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েই প্লান-বি’র সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি জামায়াতে ইসলামী ছাড়া আর সব দলের মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য গড়ার তাগিদ দিয়ে মাহী বলেন, প্রজন্ম বাংলাদেশের সদস্যরা রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের জন্য অহিংস, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে জনগণের কাছে যাবে। তিনি প্রজন্ম বাংলাদেশকে বিকল্পধারার সহযোগী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বিকল্পধারা ও যুক্তফ্রন্টের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে প্রজন্ম বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, ‘প্রজন্ম বাংলাদেশের প্ল্যান-বি কর্মসূচিটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। তরুণ সমাজ দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর প্রতীক। তারা দেশ গঠনের প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে চায়। তরুণ সমাজকে আমরা রাজপথে নামাবো। অহিংস পন্থায় আন্দোলন করবো।’
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাহী বি চৌধুরী। অনুষ্ঠান শুরু হয় প্রদীপ সাহা, মতলব আলী ও শারমিন সুলতানা নামে তিন তরুণ-তরুণীর জীবনের কথা নিয়ে। পরে ‘বাংলাদেশের সংঘাতের রাজনীতি’ নিয়ে একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শিত হয়।
ভিডিওচিত্রে যুক্তফ্রন্টের তিন নেতা সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার জীবনী তুলে ধরা হয় পৃথকভাবে। একে একে তিন নেতা মঞ্চে এসে প্রজন্ম বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য দেন।








