জেলখানায় বিএনপি নেতাকর্মীদের দুর্দশা এখন চরমে উঠেছে, তারা চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না বলে দাবি করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। বুধবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
রিজভী বলেন, বিএনপির যেসব নেতা যারা একসময় মন্ত্রী-এমপি ছিলেন তাদেরও ডিভিশন দেওয়া হচ্ছে না। কারাগারের ভেতরে বিএনপি নেতাদের আটকে রাখা হচ্ছে। এমনকি দিনের বেলায়ও তাদের সেলের ভেতরে আটক রাখা হয়। ভয়ংকর হয়রানির মধ্যে বিএনপি নেতারা দিন কাটাচ্ছেন।
তিনি বলেন, গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সাংবাদিক সম্মেলনের বক্তব্যে প্রমাণিত হলো তিনি নানা ধরনের ফন্দি করে আবারও ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচন করতে চান। তিনি রাজনৈতিক সমঝোতা ও সম্প্রীতি এবং অবাধ, অংশগ্রহনমূলক ও সুষ্ঠ নির্বাচনে বিশ্বাসী নন।
২৮ অক্টোবর বিএনপির সাগরসমান মানুষের উপস্থিতিকে আওয়ামী লীগ ভালো চোখে দেখেনি মন্তব্য করে তিনি বলেন, এতো মানুষের সমাগম দেখে তাদের অন্তরজ্বালা বাড়তে থাকে। এইজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে সাংবাদিকসহ বিএনপি নেতাদের হত্যাসহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে গুরুতর আহত করিয়েছে। বিএনপির সমাবেশকে পণ্ড করার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ডাণ্ডলীগ গড়ে তুলেছে জানিয়ে রিজভী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও যুবলীগ-ছাত্রলীগ একযোগে ডাণ্ডালীগ হিসেবে কাজ করছে। এরাই সারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের কফিনে পেরেক ঠুকছে।
বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণ অসাধু পণ্য সিন্ডিকেটের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে সরকার, এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পদ্মাসেতু ও মেট্রোরেলের এক্সিবিশনে মানুষের পেট ভরছে না। বিপুল জনগোষ্ঠী অনাহারে অর্ধাহারে কোনোরকমে বেঁচে আছে।
রুহুল কবির রিজভী জানান, অবরোধের দ্বিতীয় দিন বিএনপির নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছেন ২৮৩ এর বেশি এবং মামলা হয়েছে ৯টি।








