বৃহস্পতিবার বর্তমান স্থায়ী কমিটির বৈঠকেই চূড়ান্ত হয়েছিল দেশি ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ নিয়ে পরিষ্কার অবস্থানে যাবে বিএনপি। এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল বাংলা ট্রিবিউন। ওই রাতে খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটি উগ্রবাদ নিয়ে দলের ঘোষণাপত্রে নতুন বক্তব্য সংযোজন করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন দেখা গেছে শনিবারের জাতীয় সম্মেলনেই। খালেদা জিয়া তার বক্তব্যেও এ বিষয়ে বিএনপির অবস্থান কী হবে—তাও জানিয়েছেন।
জাতীয় কাউন্সিলের মধ্যে দিয়ে ইংরেজিতে একটি লিখিত পরিকল্পনাপত্রে বিএনপি উল্লেখ করেছে, বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী সংস্থার সঙ্গে একযোগে কাজ করে সফল হয়েছিল। ক্ষমতায় থাকার সময়ে সন্ত্রাস, জঙ্গি, দুর্নীতি দুর করতে ১৭ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিল বিএনপি। ক্ষমতায় গেলে আরও অভিনব কৌশল নেবে বলে ওই পরিকল্পনাপত্রে উল্লেখ করেছে দলটি।
শনিবার বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল থেকে ওই পরিকল্পনাপত্রে বলা হয়, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি খুবই খারাপ। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নেই। তাদের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ওই পরিকল্পনাপত্রে আরও বলা হয়েছে, দেশের আরও উন্নত করতে বিএনপি সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে আরও শক্তিশালী বন্ধনে আবদ্ধ হবে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে দেশকে রক্ষা করতে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে।
আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সাইবার আক্রমণ থেকে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করার পরিকল্পনা অন্যতম। সাইবার ক্রাইম থেকে দেশকে রক্ষা করতে কার্যকরী ও সক্রিয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হবে।
এ ছাড়া, আরও কিছু প্রাতিষ্ঠানিক ও কর্মক্ষম পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ রয়েছে ওই পরিকল্পনাপত্রে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, প্রধানমন্ত্রীর দফতরে 'ন্যাশনাল কাউন্টার টেরিরিজম কো-অরডিনেশন কাউন্সিল (এনসিটিসিসি) নামে একটি কার্যক্রম চালু করা হবে।







